সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১২:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মন খুলে দে,ও তুই হেলা করিস না, গোপালগঞ্জে যাবরে ভাই মোটরসাইকেল নিয়া ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে মান্নান হোসেন শাহীন সভাপতি, শেখ মোঃ জহিরুল ইসলাম অপু সাধারণ সম্পাদক ৩২ নং ওয়ার্ডে মোঃ বেলাল আহমেদ সভাপতি, মোঃ আবুল বাশার সাধারণ সম্পাদক ৩১ নং ওয়ার্ডে শহীদ আলী সভাপতি, সাজেদুল হক খান রনি সাধারণ সম্পাদক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শিগগিরই আর একটি গণঅভ্যুত্থান হবে: আমান উল্লাহ আমান শৈলকূপ উপজেলার ১১ নং আবাইপুর ইউনিয়নের ঢাকায় অবস্থানকারী দের নিয়ে গঠিত হলো লিজেন্ড এগারো নামে একটি ক্লাব বধ্যভূমি, একটি বটগাছ ও একজন রবিউল প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কোন পথে কোরবানির আয়োজনে ? বৃষ্টির দিনেও রান্না করা খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে রাজধানী মোহান্মদপুর ক্লাব সাধারণ সম্পাদক পদে সকলের পছন্দ হাফেজ মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসেন

৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭১২ দেখা হয়েছে

মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ ঢাকা মহানগর-উত্তর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি, সহ-সভাপতি ও ঢাকা-১৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খান এর অনুমতিক্রমে ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র (সোয়েটার) বিতরণ করলেন, ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ও আগামী কাউন্সিলে ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ মনিরুজ্জামান এবং ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ও আগামী কাউন্সিলে ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ মোকলেছুর রহমান খান (লিটন মাস্টার)।

সোয়েটার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটনি জেনারেল অ্যাডভোকেট সৈয়দ বশির হোসেন চৌধুরী, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য মোঃ মনিরুজ্জামান এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য মোঃ মোকলেছুর রহমান খান (লিটন মাস্টার)।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ.কে.এম রফিক নেওয়াজ, সৈয়দ আবুল হাসেম, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জুলহাস উদ্দিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আঃ কাইয়ুম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম হাওলাদার, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোস্তফা কামাল এবং সদস্য নুর নবী রানা, মোঃ বজুল রহমান পাঠান’সহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, মোঃ আবুল বাশার (বাদশা), আরমান-উল ইফতাব (সোহাগ), মোঃ ফারুক এবং মোঃ জিল্লুর রহমান হেলাল।

৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং অসহায় শীতার্ত মানুষে শীতবস্ত্র (সোয়েটার) পেয়ে তারা আশাপ্রকাশ করে বলেন, আগামী কাউনিন্সলে মোঃ মনিরুজ্জামান এবং মোঃ মোকলেছুর রহমান খান (লিটন মাস্টার) ওয়ার্ড পরিচালনার দায়িত্ব পেলে তারা চাঁদাবাজমুক্ত ওয়ার্ড উপহার দিতে পারবে।

সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নিজেদের অর্থে ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং অসহায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়ে মোঃ মনিরুজ্জামান এবং মোঃ মোকলেছুর রহমান খান (লিটন মাস্টার) বলেন, আমাদের সামান্য উদ্যোগের ফলে হয়তো শীতার্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা কমবে। ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং অসহায় শীতার্ত মানুষের পাশে দুর্দশা লাঘবে সমাজের বিত্তবানদের মানবতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

 

কে এই মোঃ মনিরুজ্জামানঃ

ব্যক্তিগত জীবনঃ

(ক) স্থায়ী জন্মগত সূত্রে ঠিকানা: কুষ্টিয়া জেলা সদর, (খ) বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ৩১ নং ওয়ার্ডের সলিমুল্লাহ রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ (স্থায়ী বাসিন্দা), (গ) শিক্ষগত যোগ্যতা: ইঞ্জিনিয়ার, (ঘ) জন্ম তারিখ: ২১ নভেম্বর ১৯৫৪ ইং, (ঙ) স্ত্রী: মিসেস রশিদা জামান (গৃহীনি) এবং ২ ছেলে মেয়ে, (চ) ছেলে: ব্যাংকে চাকুরী করে (এসভিপি) এবং (ছ) মেয়ে: ডাক্তার অস্ট্রেলিয়াতে থাকে স্থায়ী ভাবে, (জ)রাজনীতি পরিচয়: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, (ঝ) ধর্ম: ইসলাম (সুন্নী), জাতীয়তা: বাংলাদেশী।

সামাজিক কর্মকান্ডঃ

মোঃ মনিরুজ্জামান বর্তমান (ক) ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য, (খ)প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি বঙ্গবন্ধু আদর্শ মূল্যায়ন ও গবেষণা সংসদ, যার (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়া), (গ) কো-চেয়ারম্যান জার্নালিষ্ট কো-অপারেশন অব বাংলাদেশ, (ঘ) পরিচালকলায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা শ্যামলীজেলা-৩১৫ বি-১লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল, (ঙ) আজীবন সদস্যলায়ন্স ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশআজীবন সদস্যকুষ্টিয়াসমিতিঢাকাবাংলাদেশ এবং (চ) মোঃ মনিরুজ্জামান ৮ নং সেক্টরে মুক্তিযোদ্ধ করেছিলেন, কুষ্টিয়া অঞ্চল।

ব্যাক্তিগত কার্যক্রম:

(ক) পূর্ববর্তী ক্রিয়াকলাপ: প্রধান সম্পাদকডেইলি নিউজ স্টার(খ) প্রধান সম্পাদকসাপ্তাহিক বাংলার একুশ, (গ) বর্তমান ক্রিয়াকলাপ: (ঘ) সম্পাদক ও প্রকাশকসাপ্তাহিক একুশে (প্রিন্ট মিডিয়া)(ঙ) ব্যবসা প্রতিষ্ঠান: মনির এন্ড সন্স এর স্বত্বাধিকারী (ইঞ্জিনিয়ারিং অকসান ও ঠিকাদারী ব্যবসা)।

মোহাম্মদপুর ৩১ নং ওয়ার্ড রাজনীতিতে বর্তমান সময়ে দল-মত নির্বিশেষে যে নামটি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও সম্মানের সহিত নেয়া হয় সেটি হলো-মোঃ মনিরুজ্জামান। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন খাঁটি সৈনিক, জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত কর্মী জননেতা মোঃ মনিরুজ্জামান, লোভ লালসা সম্পদ অর্জনের মোহ থেকে দূরে থেকে সততার এক বিরল দৃষ্টান্ত দেখিয়ে যাচ্ছে।

দৈনক খাস খবর পত্রিকার সাথে সাক্ষাৎকারে মোঃ মনিরুজ্জামান,  বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার রূপদানকারী, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, মাদার অব হিউম্যানিটি, বিশ্বনেত্রী, বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, দেশরত্ন, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে সুখী, সমৃদ্ধশালী, দারিদ্র্যমুক্ত ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একজন নগণ্য কর্মী হিসেবে কাজ করে যাওয়াই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

মোঃ মনিরুজ্জামান আরো বলেন, মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ডে আমাকে সভাপতি পদ দিয়ে মূল্যায়ন করবেন বলে আমি আশা করি।আর আমি সেই সম্মানজনক পদ নিয়ে ঢাকা মহানগর-উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচির পরামর্শে, সব ধরনের সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি রোধে আগামী দিনগুলোতে মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ডবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই। ব্যক্তি, পরিবার তথা সমাজ ধ্বংসকারী সর্বনাশা মাদকের বিরুদ্ধে দৃঢ়তার সঙ্গে সামাজিক আন্দোলনের রূপ দিতে চাই এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বীশেষে সকল মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করবো ইনশাল্লাহ।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে আরো জানা গেছে, মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সভাপতি পদে মোঃ মনিরুজ্জামান এর কোনো বিকল্প নাই, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দেবার মতো পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, আদর্শিক-পরীক্ষিত নেতৃত্ব, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ও গ্রহণ যোগ্যতা ইত্যাদি যেসব গুণের প্রয়োজন তার সবগুলো মোঃ মনিরুজ্জামান এর মধ্যে বিদ্যামান রয়েছে।

কে এই মোঃ মোকলেছুর রহমান লিটন মাস্টারঃ

মোঃ মোকলেছুর রহমান লিটন মাস্টারের পিতা মোঃ মনছুর আহম্মেদ খান, মাতা আমেনা বেগম (চটক), জন্ম ১লা জানুয়ারী ১৯৬৮ইং, ভোটার আইডি নং ৩৭৩২৩৩৬৭৮৩, বর্তমান ঠিকানা ১৬/১৭, আজম রোড, ব্লক-ডি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭, স্থায়ী ঠিকানা-খান বাড়ি, হোল্ডিং নং–৫৫, রোড-বাইনাবাড়ি সড়ক, মধ্যআলিপুর, জেলা+থানা+পোষ্ট-ফরিদপুর, পেশা ব্যবসা, বাংলাদেশ আওয়ালীগ সদস্য নং-৩৭৫৬৬৯৬, শিক্ষাগত যোগ্যতা-এস.এস.সি।

সাংগঠনিক পরিচয়:

সাবেক সদস্য- অম্বিকাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, ফরিদপুর (১৯৮৫), সাবেক সদস্য-শহর ফরিদপুর যুবলীগ (১৯৮৭), সহ-সভাপতি-নূর হোসেন সংসদ পরিষদ, সাবেক সহ-সভাপতি-৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ফরিদপুর শহর শাখা, সদস্য- নিউ মুসলিম ডেভেলপমেন্ট এর উপদেষ্টা মন্ডলী, সাধারণ সম্পাদক-আজম রোড ইউনিটে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাতা, সম্মানিত সদস্য- ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, মোহাম্মদপুর থানা, ঢাকা মহানগর উত্তর, সম্মানিত সদস্য-  নবদ্বয় হাউজিং সোসাইটির বাড়ি মালিক সমিতির, সহ-সভাপতি-সাত মসজিদ আইডিয়াল ইনস্টিউট, সদস্য-চাঁন মিয়া হাউজিং সোসাইটি বাড়ির মালিক সমিতির, সাবেক সদস্য-মোহাম্মদপুর টাউন হল শহিদ পার্ক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, প্রস্তাবিত সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদপুর সরকারি টাউন হল পাকা মার্কেট দোকান মালিক সমিতি, প্রতিষ্ঠাতা-লিটন মাস্টার টেইলার্স এন্ড ফেবিক্স।

পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ঃ

পিতা: মৃত মোঃ মনছুর আহম্মেদ খান, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং অম্বীকাপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগর সদস্য ছিলেন,

মাতা: মৃত আমেনা বেগম (চটক), তিনি একজন সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

মামা: আবু ইউনুস পাশা, তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং সাবেক বাকশাল কেন্দ্রী কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। তিনাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাশা হিসাবে টাইটেল দিয়েছেন।

মোঃ মোকলেছুর রহমান লিটন মাস্টার এর রাজনৈতিক পরিচয়:

১লা জানুয়ারি ১৯৬৮ সালে ফরিদপুর শহর আলিপুরে জন্মগ্রহণ করে। পিতা মুক্তিযোদ্ধা মৃত মোঃ মনছুর আহম্মেদ খান এবং মাতার নাম মৃত আমেনা বেগম (চটক) যিনি ছিলেন একজন সহ মুক্তিযোদ্ধা। মামা মোঃ আবু ইউনুস পাশা যিনি বাকশাল কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর দেয়া টাইটেল (পাশা) হিসাবে গণ্য হন। মোঃ মোকলেছুর রহমান লিটন মাস্টার ১০ জন ভাইবোনদের মধ্যে ৬ষ্ঠ তম। পড়াশুনা শুরু ফরিদপুর হাইস্কুলে এবং ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে। ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রলীগ রাজনীতি শুরু করে এবং ফরিদপুর অম্বিকাপুর ইউনিয়নের ছাত্র লীগের সদস্য ছিলেন। ১৯৮৭ ইং সালে ছাত্রলীগ থেকে ফরিদপুর শহর যুবলীগে অন্তর্গত হন। তখন এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে চলে। এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করার কারণে, অনেক গুলো মামলা হয়। সে কারণে তাকে জেলে যেতে হয়। প্রধানমন্ত্রী দেশ নেত্রী শেখ হাসিনা ফরিদপুরে অম্বিকা হল ময়দানে বিশাল জনসভায়, জনসম্মুখে নাম ধরে বলেন আমার যুবলীগ কর্মী মোঃ মোখলেছুর রহমান লিটনকে ডিটেনশন থেকে ও সকল প্রকার মামলা হতে জাবিন এবং মুক্তি না দিলে আন্দোলন আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হবে। এরশাদ সরকার তখন লিটন মাস্টারকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

১৯৮৯ এর গণঅভূৎত্থানে লিটন মাস্টার নুর হোসেন সাহেবের সাথে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলো নুর হোসেন সংসদ কমিটির সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্বরত আছে।

লিটন মাস্টার ফ্রিডম পার্টির কর্ণেল রশিদ ও ফারুককে ফরিদপুরে কোন মিটিং করতে দেয়নী, বরৎ তাদের মিটিং প্রতিহত করে এবং ফ্রিডকম পার্টির মঞ্চ ভেঙ্গে ফেলে। তারা তখন লিটন মাস্টারকে গুলি করে, আল্লাহর রহমতে অল্পর জন্য বেঁচে যায়।

গণফোরামের ডাঃ কামালকেও ফরিদপুর আলীপুর মোড়ে তাহার মিটিং বন্ধ করে দেয় এবং ফরিদপুর থেকে বিতাড়িত করে। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত অনেক জোরদার আন্দোলন ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বরত ছিলেন লিটন মাস্টার।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনের ফরিদপুরে নেত্রীর জন্য ষ্টেজ তৈরী ও বাঁশ দিয়ে মোড়ে মোড়ে নৌকার প্রতীক তৈরী করে স্থাপনা করেছিলন তিনি। লিটন মাস্টার ফরিদপুর আলিপুর ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে দীর্ঘ ১০ (দশ) বছর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

১/১১ সময় ফরিদপুরে জামায়াতি ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উচ্ছেদ ও নির্বাচনী প্রচারে মুজাহিদের সাথে সংঘর্ষ করে এবং তাদেরকে বিতাড়িত করে যা একটি বড় সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন।

২০০১ সালে বি.এন.পি ও জামায়াতের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে লিটন মাস্টার কে জেলে যেতে হয়। লিটন মাস্টার সব সময় আওয়ামী লীগের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলেন।

২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিটন মাস্টার রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড এর পক্ষ হয়ে নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন প্রকার প্রচার-প্রচারনা ও দলীয় মিছিল মিটিং এর জন্য খরচ করে এবং নৌকা ও নৌকার প্রার্থীর ছবি সম্মলিত মাফলার তৈরী করে হাজার কর্মীদের মাঝে বিতরণ করেন, যাহা প্রচারের কাজে সারা দেশে সাড়া জাগিয়েছিলো। মাফলার বিতরণ করার কারণে, ঢাকা-১৩ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খান এর প্রচার আরো অনেক বেড়ে গিয়েছিলো।

এছাড়াও লিটন মাস্টার তিন তিনবার ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মাননীয় এল.জি.আর.ডি. মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেন সাবেহকে নির্বাচন প্রচারনীর জন্য এম.পির ছবি সম্বলিত মাফলার কর্মীদের মাঝে বিতরণ করে। লিটন মাস্টার সব সময় বঙ্গবন্ধু আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী লীগ কর্মী হয়ে থাকতে চান।

২০১৪ সালে রাজধানী মোহাম্মদপুর ইকবাল রোড বায়তুস সালাম মসজিদ এর সামনে হিজবুত তাহেরীর জঙ্গী সংগঠক মাইক দিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে বাজে কথা বলায় লিটন মাস্টার প্রতিবাদ জানান এবং তাদের সাথে বাক বিতন্ড জড়িয়ে পড়ে। লিটন মাস্টার নিজে ঐ জঙ্গীদের ধরে পুলিশের হাতে সপর্দ করে। এ ঘটনাটি বাংলাদেশের সব কয়টি চ্যানেলে লিটন মাস্টার সহ ঘটনা একযোগে প্রচার করে। এ ঘটনায় হিজবুত তাহেরীর জঙ্গী সংগঠক তাদেরকে গ্রেফতার করায় পুলিশের খাতায় লিটন মাস্টারের বন্ধুত্ব হিসাবে নাম রয়েছে। তাদের নামে ১টি মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয় (মামলা নম্বরঃ ৪৩-১০-১৪)। লিটন মাস্টার দলের জন্য বিভিন্ন সময় বড় বড় নেতাদের সাথে পিকেটিং এ অংশগ্রহণ করেছিলো। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নেতারা হলেন আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন, শেখ বজলুর রহমান, এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাসিম সহ প্রমুখ।

রাজধানী মোহাম্মদপুর থানা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকাতে অনেক মুজিব ভক্ত আছে, তারা মুজিব কোট পরার ইচ্ছে থাকা শত্বেও  আর্থিক সংকটের কারণে, মুজিব কোট তৈরী করে পরতে পারে না। লিটন মাস্টারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে সেই সব মানুষ গুলিকে বিনা মূল্যে মুজিব কোট উপহার দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজে পড়া গরীব ছেলে মেয়েদের বিনা মূল্যে স্কুল-কলেজ ড্রেজ উপহার দিয়ে যাচ্ছে।

করোনার ভয়াল থাবায় আঘাতগ্রস্থ পুরো পৃথিবীর। এই মহামারী করোনা ছোবল বসিয়েছে বাংলাদেশেও। করোনায় স্থবির জনজীবন, কাজ হারিয়ে অনেকেই অনাহারে দিন কাটাচ্ছে, খাবারের খোঁজে ছুটছে দিকবেদিক। এমন সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সফল রাষ্ট্রনায়ক দেশরত্ন শেখ হাসিনা, ঢাকা মহানগর-উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি এবং ঢাকা-১৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খান এর নির্দেশে লিটন মাস্টার তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে গত ২৬ মার্চ ২০২০ তারিখে থেকে অদ্যবধি দুঃস্থ ও অসহায় গরিব মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ এবং  করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102