মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক ৪১তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ ফারাক্কা লংমার্চ জাতির চেতনাকে শাণিত করে : বাংলাদেশ ন্যাপ রাজধানী মোহাম্মদপুর প্রাইম হাসপাতালে ইলিজারভ পদ্ধতিতে ভাঙ্গা হাটুর সফল অস্ত্রোপচার হচ্ছে বিএনপি-জামাত নির্বাচনে যাবেন না, হতেও দিবেন না, পরের কথাটা কি ? তাও বলতে পারলেন না তথাকথিত ‘গণকমিশন’ ইসলাম ও আলেম উলামাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বর্ধিত সভার বিজ্ঞপ্তিঃ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ পর্ব ৮০: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা যুদ্ধ কারো কাম্ম না হলেও একটি যুদ্ধের প্রয়োজন ছিলো, বিশ্ব ক্ষমতার ভারসাম্ম্যের জন্যে দেশে সাংবিধানিক স্বৈরশাসন চলছে: গোলাম মোহাম্মদ কাদের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ইজারা দেয়া গণবিরোধী, তুঘলকি : বাংলাদেশ ন্যাপ

সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ আর নেই

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০২২
  • ৪৮ দেখা হয়েছে

খাস খবর বাংলাদেশঃ সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ (৯২) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

আজ ১৯ মার্চ ২০২২ রোজ শনিবার  সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে মারা যান তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ব্যারিস্টার সাইফুর রহমান খুদে বার্তার মাধ্যমে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

এর আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের সিসিইউতে তাকে ভর্তি করা হয়।

সাহাবুদ্দীন আহমদের ছোট ছেলে সোহেল আহমদ সময় সংবাদকে জানান, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় নিজ গ্রামের বাড়িতে শনিবার দুপুর ২টায় বাবার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে ঢাকার গুলশানের বাসভবনে আনা হবে। রাতে সিএমইচে মরদেহ রাখা হবে। এরপর রোববার (২০ মার্চ) সকাল ১০টায় সুপ্রিম কোর্টে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ। তিনি ৬ষ্ঠ প্রধান বিচারপতি এবং দুবার দায়িত্বপালনকারী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ১৯৯০ সালের ১৪ জানুয়ারি সাহাবুদ্দীন আহমদকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হয়। ওই বছরের ৬ ডিসেম্বর এরশাদবিরোধী গণ-আন্দোলনের মুখে তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমদ পদত্যাগ করেন এবং বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে উপরাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা হয়। ওইদিনই রাষ্ট্রপতি এরশাদ পদত্যাগ করে উপরাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ফলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সরকার প্রধানের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তার নেতৃত্বে দেশে একটি সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন হয়, যা দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা পায়।

সাহাবুদ্দীন আহমদের চাহিদা অনুসারে দেশের সংবিধানের ১১তম সংশোধনী আনা হয়। ফলে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের পরও তিনি ১৯৯১ সালের ১০ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে সুপ্রিম কোর্টে ফিরে যান এবং ১৯৯৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেন।

সাহাবুদ্দীন আহমদ আবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসেন ১৯৯৬ সালে। দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ওই বছর ক্ষমতায় এসে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে। ১৯৯৬ সালের ৯ অক্টোবর তিনি নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অবসর নেন।

বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার পেমই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম তালুকদার রিসাত আহমদ। তিনি একজন সমাজসেবী ও এলাকায় জনহিতৈষী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সাহাবুদ্দীন নান্দাইলে তার বোনের বাড়িতে বড় হন।

সাহাবুদ্দীন আহমদের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগে ২০১৮ সালে ৮০ বছর বয়সে মারা যান। তাদের পাঁচ সন্তানের মধ্যে সবার বড় ড. সিতারা পারভীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। ২০০৫ সালের ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।

তার দুই ছেলে গুলশানের বাসায় বাবার সঙ্গেই থাকেন। তার দুই মেয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে রয়েছেন।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102