May 18, 2024, 9:15 am
শিরোনামঃ
বিচার ব্যবস্তার সুচনার ইতিহাস জানিনা, বিতর্কের শেষ কোথায় ? বুঝতে পারছি না বঙ্গ কণ্যার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও বাংলার মাটি কে বুকে ধারন, ইতিহাসের অংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি পাঠাগারের কমিটি গঠন জহির সভাপতি ও লিটন সাধারণ সম্পাদক গাজায় নিজেদের গোলার আঘাতে পাঁচ ইসরায়েলি সেনা নিহত তালের শাঁস খেলে যেসব উপকার হয় ঢাকা শহরে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে না: ওবায়দুল কাদের বিশ্বাস পুনর্নির্মাণের জন্য আমি বাংলাদেশ সফর করছি: ডোনাল্ড লু ভারতবর্ষে হিন্দু মুসলমানের রাজনীতি হয়,মহাত্মা গান্ধী সকল ধর্মের রাজনীতি নাই গুলিস্তান-মিরপুরের কাপড় পাকিস্তানের বলে বিক্রি করেন তনি! ইসরায়েলের সেনা ঘাঁটির অস্ত্রগুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে

সংগঠনের প্রাণ তার দক্ষ, ত্যাগি ও বিশ্বস্ত পরিশ্রমী কর্মী বাহিনীঃ আব্দুর রহমান শাহ্

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Monday, May 9, 2022
  • 1196 Time View

খাস খবর বাংলাদেশঃ ঢাকা মহানগর উত্তর মোহাম্মদপুর থানার অন্তর্গত ৩১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বর্তমান দপ্তর সম্পাদক জনাব আব্দুর রহমান শাহ্ এর সাথে আসন্ন ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পর্কে কথোপকথনের এক পর্যায়ে ৩১নং ওয়ার্ডের দপ্তর সম্পাদক জনাব আব্দুর রহমান শাহ্ বলেন, সংগঠনের প্রাণ তার দক্ষ, ত্যাগি ও বিশ্বস্ত পরিশ্রমী কর্মী বাহিনী। একটি সংগঠন চালাতে হলে কিছু নিবেদিত প্রাণ, নির্মোহ, রাউন্ড ও ক্লোক সংগঠক প্রয়োজন হয় এবং ব্যাবস্থাপনা, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন, কার্যকরন উন্নয়ন জ্ঞান থাকতে হয়।
তেমনি একজন সংগঠক, সাবেক ব্যাংকার আব্দুর রহমান শাহ্, তিনি তার সমগ্র কর্মজীবনটাই বিশ্বস্ততা, আইডিয়াল কর্মী, সমাজ সেবা, রাজনীতি, এনজিও ও মাইক্রো ক্রেডিট প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা পরিচালনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্য সেবা, প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন সকল ক্ষেত্রেই তার অংশগ্রহন, আর্থিক, মানসিক, শারীরিক অবদান রেখে যাচ্ছেন।
ছাত্রজীবনে আইডিয়াল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে বঙ্গবন্ধুর বড়ো ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল সাহেবের একজ ক্ষুদ্রতম কর্মী হিসেবে রাজনীতির পথে হাঁটা এই মানুষটি যখন যেখানে যে অবস্থায় ছিলেন সেখানেই সৃজনশীলতার ছাপ রেখেছেন। বঙ্গবন্ধু ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপটেন শেখ কামালের প্রতি অগাধ অন্ধ ভালো বাসা, শ্রদ্ধা আর বর্তমান বাংলাদেশে উন্নয়নের রূপকার জননেত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা, শ্রদ্ধার টানে আওয়ামী রাজনীতির দুর্দিনের কর্মী সরকারী চাকুরী ও তাকে থামিয়ে রাখতে পারে নাই।
আত্ম পরিচয় গোপন রেখে কখোনো শ্রমিক সংগঠন, কখোনা সমাজ সেবাক, কখোনো মাঠ কর্মী, কখোনো বিদ্যুৎশাহী, কখোনো ডিজেষ্টর রিলিফ ও পুনর্বাসন নীর্বাহী, কখোনো ফিচার লেখক, কখোনো প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, মাঠকর্মী, কখোনো সংগঠক। তিনি অন্তরালে থেকে দলের প্রয়োজনে নিজের বিবেকের তাগিদে কোনো আন্দোলন সংগ্রামে পিছু না হটা এই মানুষটির জীবনটাই সংগ্রামের অখণ্ড ইতিহাস।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের ক্ষুদ্র কর্মী, ১৯৭১ সনে নারায়নগঞ্জে মুজিব বাহিনীর সহযোগী হিসেবে স্বাধীনতা যুদ্ধে ভূমিকা রাখা, রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের চাকুরীর, সুবাদে সর্বমহলে পদচারনা কারী সংগ্রামী এই মানুষটি যে পথে যখন হেঁটেছেন সর্বত্রই তার উন্নয়নমুখী সৃজনশীল হাতের স্পর্শে প্রতিষ্ঠান গুলি নতুন জীবনের ছোয়ায় পরিপূর্ণ হয়েছে। আবার জাতীয় আন্দোলনে সংগঠক, সহায়ক ভূমিকা পলনকারী। তার কাছে জীবন ভোগের নয়, ত্যাগের। জীবন সেবার, জীবন কর্মের, জীবন আদর্শের, জীবন সৃষ্টিকর্তার নির্দেশিত পথে মানবতার জয়গানের জন্য উৎসর্গকৃত।
পরমত, সহিষনু, আদর্শ সংস্কৃতিমনা, কু সংস্কার মূক্ত, ধার্মীক, দৃড় চেতা, আত্মবিশ্বাসী, ভবিষ্যৎ দর্শী সু-সংগঠক, সদালাপী, কঠিন পরিশ্রমী, কর্মী বান্ধব এই লোকটির যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তার পদচারণা। এরই মধ্যে ৬৯ এর গন আন্দোলন, ৭০ এর নির্বাচন, ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ। , ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের পর সকল নেতারা যখন পালায়ন রত তখন কারফিউ প্রত্যাহারের পর হাতির পুল থেকে অলি গলি পার হয়ে লুকিয়ে ধানমন্ডি কলাবাগান হয়ে ৩২ এর খবর নেয়ার জন্য যে কজন লোক প্রানের মায়া ত্যাগ করে ধানমন্ডি পর্যন্ত এসেছিলো তাদেরই একজন আঃ রহমান শাহ্।
১৯৯৫ সনে ১০ই আগষ্ট আফগান তালেবানদের জন্য প্রেরিত সোয়াত জাহাজের ন্যায় এক জাহাজ অস্ত্র আন্দামন থেকে বাংলাদেশের ফ্রিডম পার্টির মাধ্যমে বে অব বেঙ্গল হয়ে বাংলাদেশের উপকূলবর্তী ৫টি উপকুলিয়য় জল সীমায় খালাসের খবর, এবং ততকালীন বিরোধী দলীয় নেতৃ শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগ নেতাদের উপরে আর একটি ১৫ই আগষ্টের পরিকল্পনা, ক্রাস আওয়ামী লীগ প্রগ্রামের গোপন সংবাদ, পুরুলিয়া ও সিলেটের জঙ্গলে ঘন কুয়াশায় ভাড়ি ও অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র এয়ার ড্রপ এর গোপন খবর পেয়ে ২৫ জন সমাজকর্মী, শুধীজন, প্রাক্তন ছাত্র নেতা, বন্ধু, এনজিও কর্মীদের নিয়ে খেজুর বাগান থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত ২৫ টি বাস ষ্ট্যান্ডে ফজরের পর মানব বন্ধন ও লিফলেট বিতরন, যা পরে, ছাত্র শিক্ষক, ছোট বড়ো ব্যাবসায়ী, মুক্তি যোদ্ধা, বুদ্ধী জীবি, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মীদের তুমুল আন্দোলনের মাধ্যমে টাঙ্গাইল থেকে মাওয়া, ফরিদপুর, বরিশাল পর্যন্ত, এবং মানিক গঞ্জ থেকে চিটাগং রোড হয়ে কুমিল্লা পর্যন্ত পরে চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে মানব বন্ধন ছড়িয়ে পরে যা সারা দেশে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। সেই আন্দোলনের সূত্র পাত কারি গোপন টিমের জয়েন্ট কোঅর্ডিনেটর হিসেবে আন্দোলন, সংগ্রামের, দুর্বিসহ দিনগুলোতে দলের, সংগঠনের, দেশের প্রয়োজনে বিকল্প আন্দোলনে আওয়ামী রাজনীতির পথশ্রমিক হিসেবে সর্বদা তৎপর এই মানুষটির কাছে জানতে চেয়েছিলাম ঢাকা ১৩ আসনের আওয়ামী লীগ কাউন্সিলের সময় অত্যাসন্ন, ৩১নং ওয়ার্ডের রাজনীতিতে অনেকেই সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী হওয়ার আশা ব্যাক্ত করেছেন ।
বর্তমান দপ্তর সম্পাদক, জনাব আব্দুর রহমান শাহ্, আপনি কি কোনো পদে প্রার্থী হবেন? উত্তরে তিনি বললেন আমি তো দলের প্রয়োজনে যখন যে পদে ঘার্তি দেখেছি তখন সে পদের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছি, ভাঙ্গা চেইন জোরা দিয়ে গ্যাপ পুরন করতে গিয়ে দপ্তর, সাংগঠনিক, প্রচার, অর্থ, প্রয়োজনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের অসুস্থতায়, অনুপস্থিতিতে, অবর্তমানে দলের ঝান্ডা উড্ডীন রেখেছি কাজ চালিয়ে গেছি অব্যাহত ভাবে। দলের কর্মী, সমর্থকরা চাইলে #সাধারণ_সম্পাদকের_পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাই।
সরকারী চাকুরির সুবাদে যেমন সাধারন সেবা, উন্নয়ন, ঋণ, অগ্রীম, পলিসি, প্রশাসন, শাখা উন্নয়ন, শাখা ব্যাবস্থাপনা, আমানত সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিনিয়োগ, শিল্পঋণ, পল্লী ঋণ, পলিসি বিভাগ, ব্যাবসা উন্নয়ন, শিল্পঋণ, আমদানি, রপ্তানি, অর্থিক ব্যাবস্থাপনা, আইন বিভাগ সহ সকল ক্ষেত্রে উন্নত প্রশিক্ষনে, অংশ গ্রহন, কর্মদক্ষতা অর্জন করেছেন, সমান্তরালে প্রতিষ্ঠানিক আন্দোলন, সংগ্রাম, অফিসার্স কল্যান সমিতি, থানা ও জেলা উন্নয় সমিতি, অঞ্চলিক উন্নয়ন সংগঠন, প্রতিবন্ধী উন্নয়ন, জাতীয়, আঞ্চলিক উন্নয়ন, দেশে অনুষ্ঠিত UNDP, UNICEF, IMO, UNHCR, RNN, Planning, Policy making & Rehabilitation বিষয়ক প্রশিক্ষন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহন ও কাজ করা। আবার সামাজিক রাজনৈতিক জাতীয় উন্নয়নে, দুর্যোগ, দুর্বিপাকে, দেশের উন্নয়নেও সমান ভূমিকা পালন কারী হিসেবে দক্ষ সংগঠক হয়েও অপনি নিজের ব্যাপারে কতখানি আশাবাদী বা নিশ্চিত!
তিনি বলেন, বাকিটা দলের উর্ধতন নেতারাই ভালো জানেন, তারা কাকে কোন পদে বসাবেন, কাকে কোথায় দিলে ভালো হবে। এ ব্যাপারে আপনার কোনো অভিমত আছে? উত্তরে বললেন সংগঠন যারা চালাবেন তারা যেন সংগঠনের বোঝা না হয়। সংগঠকরা ভালো অবস্থায়, অবস্থানে না থাকলে, বড়ো নেতাদের আশির্বাদের হাত, সহযোগিতার ছায়া মাথার উপর না থাকলে বেশী দুর এগোনো যায় না।
সংগঠনকে তৃনমুলে অর্থাৎ ঘরে ঘরে নিয়ে যেত হবে, প্রতি ঘরে আওয়ামী লীগের কর্মী সৃষ্টি করতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের নেত্রীর ভক্ত বাড়লেও মোহাম্মদপুরে দলের ভক্ত আশানুরূপ বাড়েনি। তাই ৩১নং ওয়ার্ড এখনো পরাধীন। ৩১ এর স্বাধীনতা আনতে হবে। তাই দক্ষ, অভিজ্ঞ, দল পাগল দেশপ্রেমি, ত্যাগী নেতার দরকার। মারেফাতে একটা কথা আছে ওস্তাদ গুনে সাগরেদ আবার সাগরেদ গুনে ওস্তুাদ, রাজনীতিতে নেতার গুনে কর্মী, কর্মী গুনে নেতা। ধন্যবাদ। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য সোনার মানুষন চাই। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102