শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রিচার্লিসনের জোড়া গোল, দাপুটে জয় ব্রাজিলের বিশ্ব ফুটবলের বিস্ময় সৌদি, এশিয়া নিয়ে আমরা গর্ব করতেই পারি মাহাতি হারেনি , হেরেছে সভ্যতা নিষ্ঠা, মালয় উন্নয়নে চকমক, জাতি মাদকাসক্ত মনে হয় উন্নয়নের বিনিময়ে নৌকায় ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি হাবিব, সাধারণ সম্পাদক শামীম মৃধা গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি হাবিব, সাধারণ সম্পাদক শামীম মৃধা রাজধানী মোহাম্মদপুরে জালাল উদ্দিন এর স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় অঘটন জাপানের মাহাতি হারেনি , হেরেছে সভ্যতা নিষ্ঠা, মালয় উন্নয়নে চকমক,জাতি মাদকাসক্ত মনে হয় ওয়ালিউল্লাহ মাষ্টারের ৬২তম জন্মবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৪২ দেখা হয়েছে

মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর-উত্তর মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

১৪ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ সোমবার জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি সকাল ৯ টায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে, সকাল সাড়ে ৯ টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে এবং সকাল ১০ টায় রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে এ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে পরিকল্পনা করে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বাঙালির চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দু’দিন আগে ঘটে এক মর্মান্তিক হত্যাযজ্ঞ। তারা বেছে বেছে অসংখ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের হত্যা করে।

পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করার এই নীলনকশা প্রণয়ন করে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। পাকবাহিনীর অস্ত্র সহায়তা নিয়ে তাদেরই ছত্রচ্ছায়ায় আধাসামরিক বাহিনী আলবদরের ক্যাডাররা এই বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করে। পরাজয় আসন্ন জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবী নিধনের এই পরিকল্পনা করে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী।

১৯৭২ সালে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ’ শীর্ষক গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ৯৯১ জন ছিলেন শিক্ষাবিদ, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী এবং ১৬ জন সাহিত্যিক, শিল্পী ও প্রকৌশলী।

বুদ্ধিজীবী নিধনের এ তালিকায় ঢাকা বিভাগে ২০২ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবী এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ২২৪ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। খুলনা বিভাগে ২৮০ জন শিক্ষক ও ছয়জন আইনজীবী, রাজশাহী বিভাগে ২৬২ জন শিক্ষক ও ১৫ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। তবে এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম ছিল না।

যাদের হত্যা করা হয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হাবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ড. আবুল কালাম আজাদ। সাংবাদিক ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নাজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী, সেলিনা পারভীন। এছাড়া শিল্পী ছিলেন আলতাফ মাহমুদ, সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার, মেহেরুন্নেসা, দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরও অসংখ্য নাম।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102