July 17, 2024, 6:48 pm
শিরোনামঃ
অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুফুর বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে সিয়াম নামে এক যুবকের মৃত্যু গায়েবানা জানাজার পরই পল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি-সমমনা দলের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক দল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোটা আন্দোলনকে ব্যবহার করছে: ডিবিপ্রধান হারুন-অর-রশিদ ছারছীনা দরবার শরীফের পীর সাহেবের ইন্তেকাল পবিত্র আশুরা সমগ্র মুসলিম উম্মা’র জন্য এক তাৎপর্যময় ও শোকের দিনঃ: মোঃ সাদেক খান রাজবাড়ীর পাংশায় সাংবাদকর্মীদের সঙ্গে মত বিনিময় সভা করলেন নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে গণতন্ত্রকেই বন্দী করা হয়েছিলঃ মোঃ সাদেক খান কোটা প্রথা বা পদ্ধতি বিশ্বে নতুন নাঃ আঃ রহমান শাহ্

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন মোঃ সাদেক খান

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Wednesday, June 26, 2024
  • 53 Time View

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২৬ শে জুন ২০২৪ রোজ বুধবার।

দিবসটি উপলক্ষে আজ ২৬ শে জুন ২০২৪ রোজ বুধবার ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সফল সহ-সভাপতি ও ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সফল এমপি আলহা্জ্ব মোঃ সাদেক খান গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন এবং তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।

শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে আমেরিকার মিসিগানের ডেট্রয়েট নগরীর সাইনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৯২ সালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হলে তিনি এর আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে সে সময় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে একাত্তরের ঘাতকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয় গণ-আদালত।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন জাহানারা ইমাম। ছেলে শাফী ইমাম রুমী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। পাকিস্তানিদের নির্যাতনের শিকার হয়ে স্বামী শরীফ ইমামও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মারা যান। মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্যাগ, সক্রিয়তা ও দেশপ্রেমের কারণে শহীদ রুমীর মা পরিণত হন শহীদ জননীতে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, একজন মায়ের ত্যাগ ও সংগ্রাম এবং সন্তান ও স্বামী বিয়োগের বেদনাবিধুর অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি লেখেন ‘একাত্তরের দিনগুলি’, যা মুক্তিযুদ্ধকালের এক অনন্য দলিল হিসেবে উজ্জ্বল হয়ে আছে বাংলা সাহিত্যে।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় ‘জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা’ ও ‘জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। এর আগে সকাল ৮টায় মিরপুরে শহীদ জননীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন নির্মূল কমিটির নেতারা।

জাহানারা ইমামের জন্ম ১৯২৯ সালের ২৩ মে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে। সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি ১৯৯০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। ১৯৯৭ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন এই মহীয়সী।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102