বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
গুরুতর অসুস্থ মোঃ মনিরুজ্জামানের জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন, লিটন মাস্টার ডিসেম্বর বাঙালি জাতির বিজয়ের মাস, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আপন ঠিকানা মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পছন্দের শীর্ষে শারমিন সরকার আগামীকাল থেকেই দেশের সব জায়গায় নেতাকর্মীদের পাহারায় থাকতে বললেন : ওবায়দুল কাদের কাউখালীতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতার মুখ থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে নতুন ষড়যন্ত্রঃ আব্দুর রহমান শাহ্ ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ‘বাংলাদেশ’ নামকরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু: আবু সাঈদ তালুকদার ঢাকা মহানগর উত্তর কৃষক লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হলেন আব্দুস সালাম জয় বিএনপির ভয় কি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের,পাকিস্তানের পরাজয়ের স্থানের ? ক্যামেরুনের কাছে হারল ব্রাজিল

যেভাবে মেয়েটি বেঁচে যেতে পারত!

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১০৭ দেখা হয়েছে

ধর্ষণ করে মেয়েটিকে হত্যা করা হয়েছে। এর দোষ কার? উত্তর হবে যে করেছে তারই দোষ। আবার কার!

অবশ্যই তার। দোষ আর দোষহীনদের নিয়ে এই লেখা নয়। লেখছি, একটু সসচেতন হলে কী এই ধর্ষণ, এই হত্যা থেকে আমরা বাঁচতে বা বাঁচাতে পারি না? উত্তর হবে, অবশ্যই পারি।
তাহলে কীভাবে পারি?

পারি, ‘সচেতনতা’ জাগিয়ে দিয়ে।

সচেতনতা জাগিয়ে দেবার আগে দরকার প্রতিটি মা-বাবা বা অভিভাবকের নিজেদের সচতনতা জাগিয়ে নেয়া।

প্রথমে চলুন ভাবি কিছু বিষয় নিয়ে:
১.
ওঠতি বয়স:
এই সময়টা একটা স্বাধীনচেতা সময়। যতো ফাঁকি মা-বাবার সাথে দেয়া যায়। তা দিবে। বন্ধুর সাথে ঘুরতে যাবে। বলবে ক্লাস অ্যাসাইনমেন্ট আছে। পকেটে টাকা নেই। টিউশন ফি না দেয়া থেকে শুরু করে বই-খাতা থেকে টাকা চুরি করবে। তাই ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত যথা সম্ভব মা-বাবা বা অভিভাবক নিজে উপস্থিত থেকে সব কাজ সমাধা করে দেয়ার চেষ্টা করা।

২.
সহজে বন্ধু পাওয়া:
ইন্টারনেটের এই যুগে বন্ধু পাওয়া সহজ হয়ে ওঠেছে। কার সাথে কখন কীভাবে পরিচয় হচ্ছে তা মা-বাবা জানেন না। কেউ তো ভালো বন্ধু হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রতারণার আশ্রয়ে থাকা বন্ধুও কম নয়।
একবার মোবাইল বা ডিভাইস হাতে দিলে তা ফিরানো কষ্টকর হয়ে ওঠবে। তাই আগে থেকে তা নিয়ন্ত্রণ করা ভালো। স্কুল-কলেজের পথে থাকলে স্মার্ট ফোন না দিয়ে বাটন ফোন দেয়া ভালো। এটি শুধু যোগাযোগের জন্য। ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত তা নিয়ন্ত্রণ করা গেলে ভালো।

৩.
ডিভাইস বা ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ:
অনেকে নিষিদ্ধ সাইটে ঢুকে সময় নষ্ট করেন। স্টুডেন্টরা বলে থাকে, গুগল থেকে তথ্য নিয়ে পড়ালেখা বা অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে। তখন তারা দরজা বন্ধ করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেয় বন্ধ ঘরে।

ইন্টারনেট লাগানো কম্পিউটার না ল্যাপটপটি আপনার ড্রইং রুম বা কমন রুমে সেট করেন। তাতে সে গোপন কাজ না করে আসল কাজটি করবে। কারণ ড্রইং রুমে বা কমন রুমে সবার চলাচল থাকে।

৪. সন্তানকে বাসায় একা না রাখা:
শত ব্যস্ততা থাকলেও বাসায় সন্তান যেন একা না থাকে। তাকে ম্যানেজম্যান্ট করুন। তাকে বুঝতে না দেয়াই ভালো, সে খারাপ কাজ করবে এই জন্য একা থাকতে দেয়া হচ্ছে না। বলুন, বয়স কম তোমার একা বাসায় থাকা নিরাপদ নয়।

৫.
মুভমেন্ট খেয়াল রাখুন:
স্টুডেন্টদের এক নাম্বার কাজ হলো, পড়ালেখা। ক্লাস আর প্রাইভেট তার রুটিন কাজ থাকে। ক্লাসে ঠিকভাবে যাচ্ছে কিনা হাজিরা সিট দেখুন। প্রাইভেটে বা ব্যাচে পড়তে সঠিক সময় গেছে কিনা তার খবর নিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে ফোন করে।

শয়তান মার্কা হলে:
আপনার শত সচেতনার পরও সন্তান যদি শয়তান মার্কা হয়। সে আকাম করতে যাবেই। তাই কিছু নিরাপদ টুলস শিখিয়ে দিন তাকে।

৯৯৯
সময়ের সবচেয়ে কম সময়ে, সবচেয়ে দ্রুত রেসপন্স করে থাকে ৯৯৯ সংখ্যাটি। যা জাতীয় জরুরি নাম্বার হিসেবে সবার পরিচিতি পেয়েছে। পুলিশ ব্যবস্থাপনায় এক অনবদ্য উদাহরণ হয়েছে ইতিমধ্যে এই নাম্বার।

৯৯৯ সংখ্যাটি মোবাইলে সেইভ করুন। মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করে রাখুন, কার সাথে দেখা করতে যাচ্ছ তার ডিটেইলস। যার সাথে দেখা করতে যাবে তার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার আর নিচে নিজের সকল ডিটেইলস নাম, ঠিকানা লিখে রাখুন। মেসেজের প্রথমে লিখুন, আমি বিপদে পড়েছি নিচের ঠিকানায়। বিপদে পড়লে যেন এক সেকেন্ডে সেন্ড অপশনে গিয়ে পাঠিয়ে দিতে পার।

মেসেজটি যেমন হতে পারে:

আমি বিপদে পড়েছি নিচের ঠিকানায়, প্লিজ হেল্প। নাম-… পূর্ণ ঠিকানা-… মোবাইল-…।  আমার নাম-… ঠিকানা-…।

লেখক: কথা সাহিত্যিক ও পুলিশ সুপার।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102