বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ঝিনাইদহে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও বেঁধে রাখার হুমকি।। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে নিন্দা জানিয়ে অসংখ্য সাংবাদিক। কোরবানীর কাঁচা চামড়ার মুল্য নির্ধারণ, বানিজ্য মন্ত্রনালয়কে নিয়ে চলছে রং তামাশা শিক্ষক হত্যা ও জুতার মালা এখন বাঙালি জাতিকে বহন করতে হচ্ছে পদ্মা সেতু হয়ে টুঙ্গিপাড়া গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা শ্রদ্ধা মন খুলে দে,ও তুই হেলা করিস না, গোপালগঞ্জে যাবরে ভাই মোটরসাইকেল নিয়া ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে মান্নান হোসেন শাহীন সভাপতি, শেখ মোঃ জহিরুল ইসলাম অপু সাধারণ সম্পাদক ৩২ নং ওয়ার্ডে মোঃ বেলাল আহমেদ সভাপতি, মোঃ আবুল বাশার সাধারণ সম্পাদক ৩১ নং ওয়ার্ডে শহীদ আলী সভাপতি, সাজেদুল হক খান রনি সাধারণ সম্পাদক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শিগগিরই আর একটি গণঅভ্যুত্থান হবে: আমান উল্লাহ আমান

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংস আচরণের ভয়ঙ্কর চিত্র ফুটে তুলেছে যে ছবি

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১
  • ৫২ দেখা হয়েছে

খাস খবর বাংলাদেশঃ মিয়ানমারে সশস্ত্র সেনাদের সামনে মাথা নুইয়েছেন এক নারী। তিনি একজন সন্যাসিনী। সেনাদের সামনে দু’হাত ছড়িয়ে ধুলোয় হাঁটু মুড়ে বসে বলছেন, “আমাকে গুলি করো, কিন্তু সন্তানদের ছেড়ে দাও।

সন্যাসিনীর কাতর অনুরোধকে সম্মান জানিয়ে মিনিট খানিকের স্তব্ধতা। এরপরই তার পিছনের বিক্ষোভকারীদের গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেয় সেনাবাহিনী। সন্যাসিনীর চোখের সামনেই খুলি উড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েকজনের।

সোমবার অশান্ত মিয়ানমারের আরও এক ভয়ঙ্কর ছবি উঠে এসেছে। একজন বয়স্ক নানের (সন্যাসিনী) সামনে সেনাবাহিনীর এমন নৃশংস আচরণের তীব্র নিন্দা শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে।

এখন আর বিক্ষোভকারীদের মিছিল থামানোর চেষ্টা করে না মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও পুলিশ। প্রতিবাদের স্লোগান উঠলেই সরাসরি গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হচ্ছে তাদের বুক।

শহরে শহরে কার্ফু জারি করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের জমায়েত হতে দেখলেই নিক্ষেপ করা হচ্ছে কাঁদানের গ্যাসের সেল। নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে সশস্ত্র সেনা সদস্যরা। মৃত্যুর মিছিল শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬০ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। আহত আরও শতাধিক।

সোমবার সারারাত বিক্ষোভকারীদের আটকে রাখা হয়েছিল ইয়াঙ্গুন শহরে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের মিছিল আটকাতেও সংযম দেখায়নি সেনা সদস্যরা। মারধর, এলোপাথাড়ি গুলি চলে। আটকে রাখা হয় অনেক নারীকে। তাদের মুক্তির দাবি রাস্তায় নামেন ক্যাথলিক চার্চের সন্যাসিনীরা।

নান অ্যান রোজ সরাসরি সেনা সদস্যদের সামনে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের প্রাণভিক্ষা চান। হাঁটু মুড়ে বসে বলেন, “গুলি করতে হয় আমাকে করো, আমার সন্তানদের অত্যাচার বন্ধ করো।”

এ সময় দু’জন সেনা সদস্যকে জোড়হাতে নানের সামনে বসে পড়তেও দেখা যায়। তারা  সন্যাসিনীকে অ্যানকে সেই জায়গা থেকে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেন। কয়েক মিনিটের জন্য গুলি চালানো বন্ধ হয়। কিন্তু তারপরই ফের হিংস্র হয়ে উঠতে দেখা যায় সেনাদের। নানের সামনেই কয়েকজন বিক্ষোভকারীর মাথার খুলি উড়িয়ে দেওয়া হয়। সন্যাসিনীকে আড়াল করে তার পিছনে থাকা বিক্ষোভকারীদের গুলি করে ঝাঁঝরা করে দিতে থাকে সেনারা।

রক্ত ঝরছে মিয়ানমারের বিভিন্ন শহরে। রাস্তায় নেমেছেন ডাক্তার, শিক্ষক, বৌদ্ধ সন্যাসীরাও। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই অসহযোগ আন্দোলন চালাচ্ছেন। গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীদের দাবি, সেনা অভ্যুত্থান নয়, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই মিয়ানমারের লক্ষ্য। সূত্র: দ্য স্ট্রেইট টাইমস

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102