February 8, 2023, 8:39 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজ বিতরণ ব্যাপক নিয়ম খাল পাড়ের অবৈধ স্থাপনা সরাতে হুঁশিয়ারি দিল ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি নিয়ে বিপাকে হিরো আলম জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ বশির আহম্মেদ পর্ব ৬০: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী, বই মেলা ভাষা বিস্তারের মাধ্যম মাগুরা জেলার হাজীপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে একটি খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে চলছে ভাঙচুরের তান্ডব নৃত্য ঝিনাইদহের গাছ প্রেমিক অসিত বিশ্বাস। ইচ্ছা আছে ১ লক্ষ গাছ লাগানোর “ঢাকার বুকে একখন্ড মাগুরা” একটি সামাজিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

ময়মনসিংহের মানবতাবিরোধী অপরাধে ছয় রাজাকারে মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : Monday, January 23, 2023
  • 18 Time View

খাস খবর নিউজ ডেস্কঃ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের মোখলেসুর রহমান মুকুলসহ (৬৫) পলাতক ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- মো. সাইদুর রহমান রতন (৫৬), সামসুল হক বাচ্চু (৭০), শামছুল হক ফকির (৭৫), নুরুল হক ফকির (৭০), সুলতান ফকির ওরফে সুলতান মাহমুদ (৫৮), এবিএম মুফাজ্জল হুসাইন (৭০) ও নকিব হোসেন আদিল সরকার (৬৫)।

আজ ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ রোজ সোমবার ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামসহ তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন জানান, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, হত্যাসহ ছয়টি অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে রায় হয়। রায়ে পলাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। তিনটি অভিযোগে তিনজনকে হত্যার অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বাকি তিন অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ত্রিশালের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদকে হত্যার অভিযোগে ছযজনকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচার শুরুতে এ মামলায় মোট নয় আসামি ছিলো। পরে কারাগারে তিন আসামি মারা যায়। বিচার শুরুর পর থেকেই ছয় আসামি পলাতক।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের জুন-জুলাইয়ে ত্রিশালের আহমেদাবাদে একটি বিদ্যালয়ে ক্যাম্প স্থাপন করে শান্তি ও রাজাকার বাহিনী। ওই সময় কাকচর গ্রামের ইউনুছ আলী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নদী পারাপার করতেন। এ কারণে ইউনুছ আলীকে ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যান ২০-২৫ জন। নির্যাতনের পর ৭১ সালের ১৫ আগস্ট সকালে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এছাড়া ওই রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এলাকায় লুটপাট ও ধর্ষণের মতো অপরাধ করে।

২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের বিচারিক আদালতে মামলাটি করেন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ইউনুছ আলীর ছেলে রুহুল আমিন। পরে ওইদিনই দুপুরে বিচারক আবেদা সুলতানা মামলাটি আমলে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ দেন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102