বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০১:১৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ঝিনাইদহে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও বেঁধে রাখার হুমকি।। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে নিন্দা জানিয়ে অসংখ্য সাংবাদিক। কোরবানীর কাঁচা চামড়ার মুল্য নির্ধারণ, বানিজ্য মন্ত্রনালয়কে নিয়ে চলছে রং তামাশা শিক্ষক হত্যা ও জুতার মালা এখন বাঙালি জাতিকে বহন করতে হচ্ছে পদ্মা সেতু হয়ে টুঙ্গিপাড়া গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা শ্রদ্ধা মন খুলে দে,ও তুই হেলা করিস না, গোপালগঞ্জে যাবরে ভাই মোটরসাইকেল নিয়া ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে মান্নান হোসেন শাহীন সভাপতি, শেখ মোঃ জহিরুল ইসলাম অপু সাধারণ সম্পাদক ৩২ নং ওয়ার্ডে মোঃ বেলাল আহমেদ সভাপতি, মোঃ আবুল বাশার সাধারণ সম্পাদক ৩১ নং ওয়ার্ডে শহীদ আলী সভাপতি, সাজেদুল হক খান রনি সাধারণ সম্পাদক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শিগগিরই আর একটি গণঅভ্যুত্থান হবে: আমান উল্লাহ আমান

মনে আছে সবার সেই  ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ সালের কথা

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০৫ দেখা হয়েছে
মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ ২০০৬ সালের এই দিনে সারা বাংলাদেশ যখন বিএনপি-জামাতের অত্যাচার অনাচার নিপীড়ণ হত্যা গুম খুন ধর্ষণের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন আন্দোলনে উত্তাল, সেই মুহূর্তে সরকারি ছত্রছায়ায় একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবির সশস্ত্র অবস্থায় মিছিল করে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয় অগ্নিসংযোগ করে।তারা সারা বাংলাদেশকে জানান দিতে চেয়েছিল আওয়ামী লীগ কখনোই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লক্ষ লক্ষ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হতাশার সাগরে নিমজ্জিত করতে চেয়েছিল।কিন্তু সেই সময়ে আমরা অনেকেই ছিলাম রাজপথে। সময়ের সাথে সাথে সেই সময়ের অনেকেই হারিয়ে গেছে।সেদিন আমাদের লড়াইটা ছিল সম্মিলিত। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ,কৃষক লীগ সবাই কাঁধে কাঁধ রেখে জয় বাংলার স্লোগান দিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি নিরন্তর । শুধু মনে হয়েছিল এই লড়াইয়ে জিততে হবে। ঐদিনের ঘটনায় কয়েকটি মামলা হয়েছিল।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন পল্টন থানা জামায়াতের তৎকালীন আমির এ টি এম সিরাজুল হক। মামলায় আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, তোফায়েল আহমেদ, মো: নাসিম, আব্দুর রাজ্জাক, জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী যুবলীগের তৎকালীন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম এমপি সহ ৪০ জন এজাহার নামীয় আসামি এবং সহস্রাধিক জনকে আসামি করা হয়। আহত আরেক জন মারা যাওয়ার পরে ২০০৬ সালের ৩ নভেম্বর আরো একটি সম্পূরক এজাহার দাখিল করা হয়। এই এজাহারে আমাদের প্রানপ্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৩ জন এজাহারে নাম দিয়ে দুই শতাধিক লোককে আসামি করা হয়।
ঐ দিনের ঘটনা মামলায় সর্বশেষ ২০০৭ সালের ১০ এপ্রিল প্রানপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা সহ ৪৬ জনকে অভিযুক্ত করে এ মামলায় আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়। চার্জশিট নম্বর ১৪৪।
ধারা ১৪৩/১৪৮/১৪৯/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/১০৯/১১৪ দণ্ডবিধির। যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয় তারা হলেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা, আবদুল জলিল, মোহাম্মদ নাসিম, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী যুবলীগের তৎকালীন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম এমপি,সাহারা খাতুন, হাজী সেলিম, ডা: এইচ বি এম ইকবাল, আবদুস সালাম ওরফে সেলিম, সবুজ, আলী, মনা, রতন, আবুল, বাবু ওরফে নাজির আহম্মদ, জাকির ওরফে জাকির হোসেন, শফিকুল ইসলাম, সালাউদ্দিন খোকন, সুলতান মিয়া, আবুল কাশেম, আলমগীর ওরফে গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর, নওসের আলী, আবদুল লতিফ ওরফে ক্ষ্যাপা, মো: জাকির হোসেন, শাহরিয়ার ওরফে সোহেল শাহরিয়ার, শাহাবুদ্দিন কিরণ, জাহাঙ্গীর হায়দার চৌধুরী, আশরাফ হোসেন, ওমর ফারুক, সিদ্দিক নাজমুল আলম, জোবায়দুল হক রাসেল, মজিবুর রহমান মাইজ্জা, বেলায়েত হোসেন, আবু সাঈদ, বশির আহম্মদ, কিরণ ওরফে আবদুল মালেক, শাহরিয়ার, জাহাঙ্গীর আলম, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন,মোস্তাকিম বিল্লাহ, মুকুল, রায় মোহন শীল ও সুমন।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102