বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আগুনে পুড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু শীতার্ত মানুষের ঘরে ঘরে কম্বল পৌঁছে দিচ্ছেন ঝাল মুড়ি বিক্রেতা মোহাম্মদ জাবেদ ইসলাম পর্ব ৫৮: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা বাঙ্গালীর মাতৃভাষা আন্দোলন সংস্কৃতি রক্ষা স্বাধীকার স্বাধীনতা ও বর্তমান উন্নয়ন প্রেক্ষাপট সন্ত্রাসী সংগঠন হুজিবি প্রধানসহ গ্রেফতার ৬; বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল, বলছে সিটিটিসি গ্যাসে ভাসছে ভোলা, কঠিন হচ্ছে তোলা কর্ণেল (অব) শওকত আলীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে আবু সাঈদ তালুকদারের বিনম্র শ্রদ্ধা মিলেমিশে এ জীবনঃ কবি মোঃ নাসির উদ্দিন দুলাল আল্লাহ আপনাকে কবে ফেরেশতা বানাল, ফখরুলকে ওবায়দুল কাদের ধামরায়ে চাপিল উদীয়মান নবীন সংঘের নব-গঠিত কার্যকরী সংসদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি নেই: বিশ্বব্যাংক

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০২২
  • ১৪১ দেখা হয়েছে

মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ সর্বোচ্চ পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কবলে পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো। এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলো মূল্যস্ফীতির তোপের মুখে পড়লেও বাংলাদেশ সুবিধাজনক জায়গায় আছে। কারণ, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতি হয়নি। তবে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত খাত মিলে দক্ষিণ এশিয়ায় গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ১৫ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। মূলত খাদ্য ঘাটতিই এর প্রধান কারণ বলে মনে করছে সংস্থাটি।

আজ ১৮ আগস্ট ২০২২ রোজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক জানায়, শ্রীলঙ্কায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮০ শতাংশ, পাকিস্তানে ২৬ শতাংশ ও বাংলাদেশে ৮ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ সরকার খাদ্য নিরাপত্তার উদ্বেগ মোকাবিলায় চাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে। এছাড়া কৃষি খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে, সারে ভর্তুকি বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানিকারকদের নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

সংস্থাটি জানায়, সারের অভাব ও তাপপ্রবাহের কারণে পাকিস্তানে গম ও চালের উৎপাদন কিছুটা কমেছে। ভুটান ও শ্রীলঙ্কায় উল্লেখযোগ্য খাদ্য সরবরাহের ঘাটতি রয়েছে। শ্রীলঙ্কায় কৃষি উৎপাদন ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কম হয়েছে। সারের ঘাটতি ও খাদ্য আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রভাবে এ অবস্থা হয়েছে। সার ও জ্বালানির ঘাটতি খাদ্য সরবরাহকে আরও সীমিত করবে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্বব্যাংক।

তবে ভারত কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। দেশটি ৪৪ হাজার টন ইউরিয়ার প্রথম চালান পেয়েছে। ভারতীয় চালের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন টন।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102