শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শৈলকূপ উপজেলার ১১ নং আবাইপুর ইউনিয়নের ঢাকায় অবস্থানকারী দের নিয়ে গঠিত হলো লিজেন্ড এগারো নামে একটি ক্লাব বধ্যভূমি, একটি বটগাছ ও একজন রবিউল প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কোন পথে কোরবানির আয়োজনে ? বৃষ্টির দিনেও রান্না করা খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে রাজধানী মোহান্মদপুর ক্লাব সাধারণ সম্পাদক পদে সকলের পছন্দ হাফেজ মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসেন মানি ইজ নো প্রবল্যামের রাজনীতির জনক জিয়া, বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাজনৈতিক কৃপণতার জনক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে কারিগরি শিক্ষা: শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল ইভিএম পেশীশক্তিকে প্রতিরোধে সহায়ক, দিনের ভোট দিনের জন্য মুলমন্ত্র ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় শেখ মোঃ জহিরুল ইসলাম অপু বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণের ব্যবস্হা করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল হেলথ সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটির

বঙ্গবন্ধুর নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে জিয়ার আবিস্কার: নানক

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৪২ দেখা হয়েছে

মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতেই সাময়িক যান্তা জিয়াউর রহমানকে আবিস্কার করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ ১০ জানুয়ারি ২০২০ রোজ রোববার দুপুরে কৃষক লীগের আয়োজিত ‘কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে শীতবস্ত্র বিতরণ ও আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এ মন্তব্য করেছেন।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ১৯৭১ সালের প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়ে জাতির পিতারকে হত্যা করা এবং হত্যা করার পর ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করে সামরাজ্যবাদ ও পাকিস্তানী শক্তি। শুধু তাই নয়, তারা তার নামকে মুছে ফেলার জন্য তার বিপরীতে সাময়িকযান্তা জিয়াউর রহমানকে আবিস্কার করে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বানানোর চেষ্টা করেছিল।

আওয়ামী লীগে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আরো বলেন, ‘১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বেলা ১টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন। পাকিস্তানী বন্ধিদশা থেকে বিজয়ী ভেসে ফিরে আসেন বাঙ্গালীর এই মহানায়ক। বিকালের ঐতিহাসিক রেইসকোর্স ময়দানে জাতি উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। বাংলাদেশের আদর্শগত ভিত্তিক কী ধরণে হবে? রাষ্ট্রের কাঠামো কী ধরনে হবে? পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যারা দালালী করেছে-তাদের কী হবে? এসব বিষয়সহ বিভিন্ন দিকনিদের্শনা দিয়েছিলেন।’

নানক বলেন, ‘আজ থেকে ৫০বছর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছেন। সেই স্বপ্ন তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করছেন। দেশের মানুষ মনে করে তার হাতে দেশ, দেশের সার্বভোমত্ব ও জাতির সম্পদ যে নিরাপদ। তিনি জেগে আছেন বলেই জাতি নিশ্চিতে ঘুমাতে পারে।

তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাশ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে র‌্যাকিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধ করে যাদেরকে আমরা পরাজিত করেছি তারাই আজ আমাদের অনুসরণ করতে চায়। জননেত্রী শেখ হাসিনার ধারাই একের পর এক মেগাপ্রজেক্ট বাস্তবায়ন হচ্ছে। এরপর নিচ্ছেন নতুন নতুন মেগাপ্রজেক্ট। তার দুর’দর্শী চিন্তায় সুশাসনের ফলে দেশের গ্রামগুলো একেকটি শহরে র’পান্তরিত হয়েছে। গ্রামে এখন গবির খোঁজে পাওয়া যায় না। দেশ থেকে মঙ্গা শব্দটি পালিয়ে গেছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মহানায়ক আজ শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পরিবর্তিত্ব র’প যারা আছে, বিএনপি-জামায়াতসহ আজকে যারা মৌলবাদী ধর্মান্ধ, জঙ্গিবাদীর পৃষ্টপোষক, সেই অপশক্তিরা আজও বসে নেই। তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। তারা বিভিন্ন ভাবে অপকর্ম করছে।’

তিনি আরো বলেন, বিএনপি আজকে রাজনীতির নামে আওয়ামী লীগ সরকারের পটপরিতর্বনের জন্য ষড়ন্ত্র করছে। জঙ্গিবাদদের মদদ দিয়ে তারা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়। শেখ হাসিনার নেতৃত্ব যতদিন থাকবে ততদিন বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। কোনো অপশক্তিকে বাংলার ১৭ কোটি মানুষ কোনো প্রশ্রয় দিবে না। বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটুর পরিচালনায় আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভা শেষে কৃষকদের মাঝে র্শীতবস্ত্র সামগ্রী বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102