June 17, 2024, 7:27 pm
শিরোনামঃ
ত্যাগের মহিমায় রাজধানীতে মহল্লায় মহল্লায় চলছে পশু কোরবানি রাজধানীতে মহল্লায় মহল্লায় চলছে পশু কোরবানি পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট শেখ জামাল হোসেন মুন্না পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আলহাজ্ব মোঃ রেজাউল করিম সেন্টমার্টিন পরিদর্শনে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর থাকার নির্দেশ:  বিজিবি মহাপরিচালক   ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনারকে হত্যার আগে ২৫ বার বৈঠক করেন শাহীন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন এবং পুরস্কার বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ জাফর ইকবাল (বাবুল) পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ সাইফ ইসলাম শুভ পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ ইব্রাহিম খান তুষার

পর্ব ৯৩ :- ” যে ইতিহাসটি বলা দরকার ” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Saturday, September 11, 2021
  • 222 Time View
আমি মাঝে মাঝে বলি, যারা ১৯৭৫ এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের রাজনীতি দেখেননি, তারা অনেক কিছু দেখেননি। আসলে ঐ সময়টা, বিশেষ করে ৭৫ এর ১৫ অগাস্ট থেকে ৮১ তে জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আসার আগ পর্যন্ত পুরো বাংলাদেশটাই দুর্দিনে ছিল । তবে সমগ্র বাংলাদেশের সকল এলাকার পুরো খবর জানতে না পারলেও, ৭৫ থেকে ৮০ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা শহরের আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের রাজ্নীতীর বহু ঘটনা এবং অন্দোলন ও সংগ্রামের সাথে আমার অংশ ছিল বা জানা ছিল। সেই বেগম জোহরা তাজউদ্দিন , জনাব আব্দুস সামাদ আজাদ, আব্দুর রজ্জাক ভাই, আমির হোসেন আমু ভাই, মহিউদ্দিন আহমেদ সাহেব,এস এম ইউসুফ, শফিকুল আজিজ মুকুল ভাই, ইয়াহিয়া পিন্টু ভাই সহ অনেক ভাইদের বাসায় যেতাম বিভিন্ন অকেশনে, দিনের পর দিন। অথচ তাদের অনেককেই এখন দেখিনা ! হ্যা অনেকেই এ ধরাধাম চলে গেছেন। আর ছাত্রলীগের ৭৫ পরবর্তিকালের নেতাদের নিয়ে বেশ কয়েকবার লিখেছি। এখন এ সব বিষয় নিয়ে লিখেও লাভ নেই। কেননা অনেকেই তাতে বিরক্ত হন। কেননা এখন যারা বিভিন্ন দায়িত্ত্বে আছেন, তারা এসবের অনেক গুলোকে কাল্পনিক মনে করেন।অনেকে তো ৭৫ থেকে ৮০ নিয়ে, মায়ের কাছে, মামা বাড়ীর গল্পও বলেন, কেননা তারা কোথায়ও না কোথায় প্রতিষ্টিত। আর ইতিহাস এমন একটি জিনিস, যে যার মত বললেই হয়। আবার অনেকে বলেন, লিখতে থাকেন আর আমরা আমাদের মত চলতে থাকি। আসলে পদ পদবী বা ক্ষমতা না থাকলে, কারো কোনো মূল্য থাকে না। এমনকি সৌজন্য যোগাযোগেও অনেকে ভয় পায়। এইতো, আমি যে সংগঠনটি ২৮ বছর ধরে করতাম, ১২ সনে সাধারন সম্পাদক হওয়ার পর, যার ১১১ জন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের মইধ্যে, প্রায় ৯০ জন আমার হাতের লেখা এবং যাদের বিষয় জননেত্রী শেখ হাসিনার বরাবরে সুপারিশ করেছিলাম, অনুমোদনের জন্য, তাদের বেশিরভাগ ভাগ নেতৃবৃন্দ, এখন ভুলেও আমার সাথে যোগযোগ রাখে না। অথচ কত দিন,কত বছর কাটিয়েছি তাদের সাথে। তাই পটুয়াখালী বাউফলের বিষয়টাও, এমনটা ভেবে নেই। তাইতো, ৯৬ এর নির্বাচনে, আ স ম ফিরোজ ভাই এবং জনাব এডভোকেট শাহজাহান মিয়া কর্তীক , আমার পক্ষে, এম পি মনোনয়নের লিখিত সমঝোতা পত্র গায়েব করার বিষয়, খুব একটা অপরাধ মনে হয় না। মনে হয়,ওটাই তাদের মেধা, ওটাই কৌশল বা ডিপ্লোমেসি। সেজন্যই বাউফলের ২ বাইরের উপজেলা চেয়ারম্যান বা বর্তমান ১ বারের উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক। তারপরও তাদের কোনো কথা বিশ্বাসে নেয়া যাবে না, যতই বরিশাল বা অন্য কোনো বিষয় বলুক। কেননা এভাবেই এগিয়ে যেতে হয় ! আর ক্ষমতা যখন থাকে, তখন কে কি বললো, এওয়ারনেসে না নিলেই হয়। এটাই রাজ্নীতী। (ক্রমশঃ)
এডভোকেট খোন্দকার শামসুল হক রেজা,সাবেক সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক লীগ। ১১ সেপ্টেম্বর ‘২০২১
শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102