June 15, 2024, 11:54 am
শিরোনামঃ
পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ জাফর ইকবাল (বাবুল) পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ সাইফ ইসলাম শুভ পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ ইব্রাহিম খান তুষার অনেক বড় বড় জায়গা থেকে তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে তদবির করা হচ্ছে: এমপি আনারের মেয়ে সাইদুল করিম মিন্টুর মোবাইলে মেসেজ ‘আনার শেষ, মনোনয়ন কনফার্ম’! লোহার খাঁচার ভেতরে থাকাটা অপমানজনক, হয়রানি করা হচ্ছে: ড. ইউনূস রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে রুশ সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত ২ ভারতীয় নিহত ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেনঃ এনাম-ই-খোদা জুলু ১১ জুন শুধু জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস নয়, গণতন্ত্রেরও মুক্তি দিবস : সাজেদুল ইসলাম নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মনির মিয়াকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সাইদুল ইসলাম বাদল

পর্ব ৫৯: ”যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Thursday, February 3, 2022
  • 151 Time View

এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজাঃ

আমার খুবই কষ্টলাগার,দেশাত্ত্বাবোধক একটি গান,আমার আত্মা ছুয়ে যায। সুযোগ পেলেই গানটি শুনি। আমার বিশ্বাস, গানটিতে সবার আত্মাই ছুয়ে যাবে। গানটি এভাবে” যদি রাত পোহালেই শোনা যেতো, বঙ্গবন্ধু মরে নাই নাই .., তবে বিশ্ব পেত, এক মহান নেতা, আমরা পেতাম জাতিরপিতা “।আসলে এ গানটি যিনি লিখেছেন এবং যারা কন্ঠে শুনাচ্ছেন, তারা আসলেই অনেক মহান। তাদেরও পরান ছুয়ে যায নিশ্চয়ই । কিন্তু গোলাম আজম, নিজামী, দেলোয়ার হোসেন সাইদী বা মোস্তাক, তাহের ঠাকুর, ফারুক, ডালিমের বংশোধরেরা যদি শোনে ঐ গানটি, বা স্বপনে দেখে, বঙ্গবন্ধু মরে নাই,তাহলে তাদের কি অবস্থা হবে। বা আমাদের মইধ্যে যারা ৭৫ এর ১৫ আগস্ট এর পরে বিভিন্ন স্থানে, উল্লাস করেছে,আনন্দ মিছিল করেছে বা শ্লোগান দিয়েছে বা মিষ্টি বিতরণ করেছে, তারা কি করবে, যদি সত্যি গানের মত, বঙ্গবন্ধু ফিরে আসতো !। কি কঠিন কথা ! প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ইমদাদুল হক মিলন তার বিখ্যাত উপন্যাস ” রাজাকারতন্ত্র ” বইতে লিখেছেন, “এখনো সাতই মার্চের দিন যখন পাড়ায় পাড়ায়,ঘরে ঘরে শেখের সেই ভাষণটি টেপরেকর্ডারে কিম্বা মাইকে বাজানো হয়,সত্যি বলছি,এই এতকাল পরে, মানে স্বাধীনতার সতেরো বছর পরেও ভয়ে বুকের ভেতরটা টিবটিব করে আমাদের। কাপতে থাকে। স্বাধীনতাবিরোধিদের, দালালদের, রাজাকারদের যা হয় আর কি।বুঝতেই তো পারেন । মনে হয় এখুনি বুঝি যে কোনও একজন সাচ্চা দেশপ্রেমিক এসে সাড়াশির মতো দুই আঙুলে টুটি টিপে ধরবে। দাতে দাত চেপে বলবে,কিরে শুয়োরের বাচ্চা, এখনও বেচে আছিস ? এখনও মাথা তুলে এদেশের মাটিতে টিকে আছিস ? “। যে সমস্ত রাজাকাররা এখনো বেচে আছে, তারা যখন রাস্তায় চলাচল করে, তখন যদি কোথায়ও যদি বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনে, তাহলে পিছনে তাকায়, দেখে বঙ্গবন্ধু সত্যি এসে পরলো কিনা। মিলন সাহেব তো রাজাকারতন্ত্রে, রাজাকারদের কথা লিখলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনলে বা রাত পোহালে যদি বঙ্গবন্ধু সত্যই মরে নাই শোনা যেতো ! তাহলে ৭৫ এর পরের ঐ মোস্তাক তাহের ঠাকুরদের কি অবস্থা হতো ? এমন একটা উপন্যাস বা গান লেখার কি কেউ নেই ! জানিনা রাত পোহালের গানটি যিনি রচনা করেছেন, তার মনে কি ছিল। তবে নিশ্চয়ই মোস্তাক তাহের ঠাকুর চক্রদের নিয়ে লিখেননি। অবশ্য ওরা যে অনেকেই রাজকার আলবদর দের মত আমাদের সাথে একাকার হয়ে মিশেগেছে। শুধু কি তাই, অনেক বহাল তবিয়তে আছেন। উল্টো আপনাদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ শিখাবে। সেজন্য হয়তো শিল্পীরাও গান বানতে বা গাইতে সাহস করেনা। আসলে ঘুরে ফিরে ঐ দুষ্ট শিল্পীর গানের মত। কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা নির্দেশ করে দেন তারা, ওরা কারা ওরা কারা !। আর এ কারণেই হয়তো সব কিছুতেই বৈপরিত্য হচ্ছে, কেউ কারো কথা শুনছে না। কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা আমরা বুঝতেও পারছি না। তাইতো ফেসবুক, ইউটিউব, এমনকি বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়াতেও প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য প্রচার করছে। যার অনেক গুলোই আমাদের দলের ভাবমূর্ত্তী নষ্ট হচ্ছে বলে, অনেকেই বলছেন। অথচ যা আমাদের কাম্য ছিল না।আমাদের প্রিয়নেত্রী দলের নেতা কর্মীদের ব্যাপারে অনেক উদার। তাই হয়তো অনেকে বিষয়টা কে গুরত্ত দিচ্ছেন না। কিন্তু যারা বিভিন্ন কথা বলছেন, যারা অনেক দিন ধরেই দলে আছেন,তারা কি মোটেই ভাবেন না, আপনি কোনটা বলতে পারেন বা কোনটা পারেন না। আপনি যাকে বলছেন, সেওতো আপনাকে খারাপ কথা বলে পরের দিন জবাব দিচ্ছেন। সুতরাং আপনার জনসভা বা সাংবদিক সন্মেলনে আপনার সামনে বাহবা দিচ্ছেন, ঠিক আরেক অঞ্চলের নেতার সামনে অনেক লোক আপনার বিরুদ্ধে বলায় বাহবা দিচ্ছেন। তাহলে কে জিতে যাচ্ছেন তা কিন্তু বোঝা যাচ্ছে না।প্রকারন্তে দুজনেই সমালোচিত হচ্ছেন। কেনননা আপনারা একি দলের লোক। আর যে দলটি বঙ্গবন্ধুর আর যার এখন নেত্রীত্ত্ব দিচ্ছেন আমদের সকলের ভরসাস্থল, জননেত্রী শেখ হাসিনা। আর অপনার মাথার উপরে দলের ঐ সাইনবোর্ড না থাকলে বা জননেত্রীর আশীর্বাদ না থাকলে আপনি কেউ না। তাই ছোট্ট অনুরোধ করবো তাদের, অনেক হয়েছে, এবার থামুন। যেটা সকলের জন্য মঙ্গল। সবারই ভাবা উচিত,বাংলাদেশে যেমন আওয়ামী লীগের বিকল্প দল নেই, নেই কার্য্যকর কোনো বিরোধী দল। তেমনি জননেত্রী শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। তাই আমাদের করো এমন কিছু করা উচিত না, যা করলে বাংলাদেশের মানুষ আমাদের প্রতি আস্থা হারায়। আমরা ২০৪১ এর একটি উন্নত বাংলাদেশের দিকে এগুচ্ছি, আর যে স্বপ্ন নিয়ে, দিনরাত নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। (ক্রমশঃ) এডভোকেট খোন্দকার শামসুল হক রেজা, সাবেক সাধারন সম্পাদক,বাংলাদেশ কৃষক লীগ ২৫ জানুয়ারী ‘২০২১

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102