December 9, 2023, 4:58 am
শিরোনামঃ
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ১৩ টি কেন্দ্র ভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি প্রদান দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৩ নং ইউনিট আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৩ ফেব্রুয়ারি, আবেদন শুরু ১৮ ডিসেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা-১৩ আসনের জাতীয় পার্টির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত মাংসের দাম নিয়ে বিতর্কে, ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ হবে না ভারত বাংলাদেশের বন্ধুত্বের ৫২ বছর,ভেজনেবকে বাদ দিয়ে স্মরণ করা যায় না শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নৌকাকে জয়লাভ করাতে হবেঃ সৈয়দা আরজুমান বানু নার্গিস বাঙালী হৃদয়ে হাজার বছরঃ কবি মোঃ নাসির উদ্দিন দুলাল বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস প্রতিরোধে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেব লীগ রাজপথে অবস্থান কর্মসূচি

পর্ব ৫৫ :- ”যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা

Reporter Name
  • Update Time : Saturday, January 8, 2022
  • 144 Time View
এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজাঃ
আসলে এখন সময়টা আমার ভাল যাচ্ছে না। মোহাম্মদ নাসিম ভাই,খ ম জাহাঙ্গীর ভাই, এটর্নি জেনারেল মাহ্বুবে আলম সহ অনেক কাছের মানুষদের হারিয়েছি। এদিকে ইদানিং ফেসবুক জুড়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চলছে। চলছে উগ্র মৌলবাদের অপপ্রচার। আসলে তাদের কাছে মূর্তি বা ভাস্কর্য কোন আসল বিষয় নয়। এরকম একটি ইস্যু নিয়ে তারা দেশে অরাজকতা করার নতুন ফন্দিতে লিপ্ত আছে। যেহেতু বি এন পি বা তাদের দোসরদের জনগন কেন্দ্রিক কোন রাজ্নীতী নেই বা দেশের উন্নয়ন বা ভবিষৎ নিয়ে তাদের কোন রাজ্নীতী নেই, সে কারণেই তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় যাওয়া তাদের কোন অবস্থান নেই। আর সে কারণেই তারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাহিরের পথ খোজে। আর একারনেই তারা হয়তো তারা ভাস্কর্য ইস্যুতে চুপ হয়ে আছে, যদিওবা ওদের নেতা জিয়াউর রহমানের অনেক ভাস্কর্য আছে। আসলে গণতান্ত্রিক ভাবে বা অন্দোলন, সংগ্রামের মধ্যে যাদের জন্ম হয় না,তারা কোন গণতান্ত্রিক রাজ্নীতী করতে পরে না, এটাই বাস্তবতা। তাছাড়া বিভিন্ন দল থেকে কেনাকাটা করে বা বাংলায় বললে, যারা উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করে, তাদের দ্বারা আর যাইহোক, কোন গণতান্ত্রিক বা জনগনের পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতার নিরিখেই তারা অপেক্ষায় থাকে একটা অগনতান্ত্রীক অবস্থা কি ভাবে আনা যায় !। এখানে একটি বিষয় বলে রাখি। আমাদের কিছু লোকজন মৌলবাদের ওই সব কর্মকাণ্ডকে উসকিয়ে দিচ্ছেন মনে হচ্ছে। কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে, অনেকেই তাদের নিজের মত করে ফেসবুকে, বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের বক্তব্যের জবাব দিচ্ছেন। তাদেরকে অনুরোধ করবো, এবিষয় অন্তত আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে নিবেন। এবার পটুয়াখালীর বিষয় নিয়ে আসবো। হা বাউফলের কথায় আসবো। একটা সময় ছিল, পটুয়াখালী অঞ্চলে, বাউফল ছিল সবচেয়ে শিক্ষিত এলাকা ।এমন কি কোলকাতা কেন্দ্রিক সভ্যতায়,ওখানে এ অঞ্চলের যে বাঙালী সমাজ ছিল, সেখানেও বাউফলের একটা বড় ভুমিকা ছিল। আমার পিতা মরহুম আব্দুল আজিজ খন্দকার ১৯৪৫ সনে বরিশাল বি এম কলেজ থেকে বি এস সি তে ডিস্টিংশান সহ পাশ করে,ঐ সনেই কোলকাতায় ভারত সরকারের কেদ্রীয় অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীন কোলকাতায় চাকুরি নেন। আব্বার কাছে শুনেছি, ওখানে তখন বাউফলের অনেক লোকজন পড়াশুনা করতেন, চাকুরি করতেন । ৪৭ এর পাকিস্তান স্বাধীনতার দিন,১৪ অগাস্ট আব্বা সহ অনেকেই ট্রেনে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানে আসেন এবং আব্বা সেক্রেটারিয়েটে অর্থ মন্ত্রনালয় যোগদান করেন। এরপর আব্বা ৫২ সনে ঢাকায় ধানমণ্ডাইতে (একসময় অনেকেই বর্তমান ধানমন্ডিকে ধানমণ্ডাই বলতো) ৩ বিঘা জমি কেনেন এবং গ্রাম থেকে কলাগাছ এনে কলাগাছ লাগান। তখন মিরপুর রোড দিয়ে মিরপুর মাজার পর্যন্ত মুড়ির টিনের বাস চলতো। ধানমণ্ডাই এর ঐ জায়গায় বাস থামিয়ে ড্রাইভার হেলপার বলতো, কলাবাগান নামেন। শুনেছি সে থেকেই এই জায়গার নাম কলাবাগান হিসেবে পরিচিত হয়, পরে কাগজপত্রেও। ওখানেই ৫২ সনের পর থেকে আমাদের পরিবারের আবাসস্থল হয় যা প্রায় ৫৮/৫৯ সন পর্যন্ত চলে। যদিও আব্বা ৫৮ সন থেকেই পটুয়াখালী ওকালতি শুরু করেন এবং পরে পটুয়াখালী মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ঢাকা থেকে আমাদের নিয়ে পটুয়াখালীতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।এভাবেই শুরু হয় আব্বার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে চলা। এরপর পটুয়াখালী জেলা ঘোষনা হলে , তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর,৬২,৬৬,৬৯,৭০ এর নির্বাচন,৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, সবটাতেই আব্বার ভুমিকা ছিলো মুখ্য। ৭১ এর পুর্বে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কোন অফিস ছিল না। আব্বার এডভোকেট চেম্বারই আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ মিটিং হত। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পটুয়াখালী জেলার ৩ জন সংসদ সদস্য,পাক সরকারের কাছে সাড়েণ্ডার করেন। ফলে পটুয়াখালী জেলায় যুদ্ধকালীন সময় বা স্বাধীনতার পরে আব্বাই সব কিছূতেই মুল ভূমিকায় ছিলেন। তৎকলীন এম পি এ আব্দুল বারেক মিয়া এবং আবুল হাসেম মীর গলাচিপা ও কলাপাড়ার এম পি এ ছিলেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আব্বাকে পটুয়াখালী জেলা রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান এবং জেলা প্রাথমিক স্কুল নির্বাচন কমিটি এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। ঐ সময় প্রতি ইউনিয়নে ৪টি করে প্রাথমিক স্কুল এবং প্রতি স্কুলে প্রধান শিক্ষক সহ ৫ জন করে শিক্ষকের চাকুরি দেয়া হয়। ঐ সমস্ত স্কুল অনুমোদন বা শিক্ষক নিয়োগে করো কাছ থেকে আব্বা এক কাপ চা খেয়েছেন এমন বিষয় আমাদের জানা নেই। বাংলাদেশে ঐ সময় এমন অনেক এম পি ছিলেন। এই জন্যই বঙ্গবন্ধু হয়তো, বাকশাল গঠনের সময় পার্লামেন্ট এ, ৭৫ এর ২৫ জানুয়ারিতে তার দীর্ঘ বক্তব্যে, তার এম পিদের সম্পর্কে অনেক প্রশংসামুলক বক্তব্য দিয়েছিলেন।(ক্রমশঃ) এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক লীগ । ৬ জানুয়ারি ‘ ২০২১

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102