February 24, 2024, 8:17 am
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পাচ্ছেন মোহাম্মদপুর থানার ওসি মোঃ মাহফুজুল হক ভূঞা ডিএনসিসি নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের ৭০ ভাগ খালের জায়গায়, গুঁড়িয়ে দিচ্ছে টাউন হল (কাঁচা বাজার) বণিক সমিতির নির্বাচনে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হলেন মোঃ আঃ সাত্তার সওদাগর টাউন হল (কাঁচা বাজার) বণিক সমিতির নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন মোঃ মোহন মিয়া সরদার  মোহাম্মদপুর  টাউন হল (কাঁচা বাজার) বণিক সমিতির নির্বাচনে বাবুল সভাপতি, শাহাজান সম্পাদক তওবা করে বিএনপি নেতাদের রাজনীতি থেকে বিদায় নেয়া উচিত: জাহাঙ্গীর কবির নানক সংরক্ষিত আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেলেন সালমা ইসলাম ও নূরুন নাহার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি বিচারক জন্মদিনে ভালোবাসায় সিক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রমিজ উদ্দিন ফরাজী

পর্ব ৫০ :- ”যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Saturday, December 11, 2021
  • 168 Time View
এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজাঃ
কোন ইতিহাসের কথা বলতে গেলে. ঘুরে ফিরে সেই ৭৫ পরবর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা এসে যায়। কোন ঘটনা বলবো। কত স্মৃতি, কত কষ্ট, কত অন্দোলন, কত মিছিল, কোনটা বাদ দেবো। সেই দুর্দিনের কোন কথাটা বলবো। আমার এক কাছের মানুষ, ৭৫ এর পর অনেক অবদান তার।বড় একজন ছাত্রনেতাও ছিলেন। প্রতিমন্ত্রীও হয়েছিলেন। তিনি মাঝে মাঝে একটু রূঢ় কথাও বলতেন। ৯৮ সনের দিকের কথা। প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের বাসায়, তার এলাকার একজন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান,একটা তদদ্বিরের কথা বার বার বলছিলেন। কিন্তু মন্ত্রী মহোদয় বিরক্ত হচ্ছেন। এক পর্যায় ঐ চেয়ারম্যান সাহেব জোরে জোরে বলছিলেন, ” আমি দুর্দিনে আপনার সাথে আছি, দুর্দিনে আওয়ামী লীগ করি, আমার কাজটা করে দিচ্ছেন না” । তখন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তার স্বভাব সুলভ কায়দায়,একটি বাজে কথা বলে, বললেন, তুমি………………দুর্দিন দেখছো, তুমি ৭৫ – ৮১ দেখেছো ?। আমি ৯১তে এম পি হয়েছি, তখন তুমি আওয়ামী লীগে এসেছো” । আসলে তখন সময়টাই ছিল অন্যরকম। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ সন পর্যন্ত। সেই কত দুর্বিসহ দিনগুলো। ৭৫ এর ১৪ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধুর সেই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। ঐ রাতেই আমার আব্বা, আব্দুল আজিজ খন্দকার গ্রামের বাড়ীতে চলে যান। আমি ১৫ অগাস্ট সকাল ১১ টায় আমার বন্ধু আতাউর রহমান ডিউক এর সাথে পটুয়াখালীর পুরাতন বাজার ষ্টিমারঘাট দিয়ে, সিট্রাকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হই। পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবিভাগে আমার ভর্তীর ইন্টারভিউ। ঐ দিন রাতেই আমাদের বাসায়,আব্বাকে না পেয়ে, আমার আই এ পাশ করা বড়ভাই, খন্দকার সামসুল আলম কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলখানায় নিয়ে যায়। পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান সাহেবও গ্রেপ্তার হন। এভাবেই শুরু হয় আমাদের কষ্টের আর দুর্দিনের অধ্যায়। হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর রক্তাক্ত দেহ তখন ৩২ নং ধানমন্ডিতে পরে আছে, অথচ বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের সদস্যগন ছাড়া আমরা সবাই ছিলাম। তর্কের কারণেও যদি বলি, আমি হলফ করে বলতে পারি, ৭৫ সনে যদি কোন গনভোট হত, তাহলে ঐ সময়ও বঙ্গবন্ধু শতকরা ৯৮% ভাগ ভোট পেতেন। অথচ জাতির দুর্ভাইগ্য ওই সময় ১৫ আগস্ট ঢাকা যাওয়ার পথে, পটুয়াখালীর লতিফ স্কুলের সামনে লুকিয়ে, অনেক আওয়ামী লীগ নেতাদের মিছিল দেখতে হয়েছে ! না, জয় বাংলা বা জয় বঙ্গবন্ধুর শ্লোগান নয় ! শ্লোগান হয়েছিল “খুনি মুজিব খুন হযেছে,দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী জিন্দাবাদ ” । পরে শুনেছি, বরিশালেও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর হযেছে, মিষ্টি বিতরণ হযেছে, কুকুরের গলায় বঙ্গবন্ধুর ছবি ঝুলিয়ে মিছিল হয়েছে। আরো কষ্ট ও দুর্ভাইগ্য, ঐ মিছিলকারীরা আমদেরই কাছের লোক ছিলেন। হ্যা আমাদেরই আওয়ামী লীগের অনেক নেতারা ছিলেন। তাদেরই সৌভাগ্য, তখন তাদের কোন ছবি ক্যামেরাবন্দী হয়নি। তখন মোবাইল ছিল না,কেউ ছবি তোলবে। কোন পত্রিকা বের হয়নি। শুনেছি, বরিশালের কোন একটি পত্রিকা, জেল হত্যা মামলার আসামী, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের তত্কালীন সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম মঞ্জুর এর ভাইর প্রকাশিত ” বিপ্লবী বাংলাদেশ ” পত্রিকায় গুরুত্তের সাথে ছাপিয়েছিল। যদিও ঐ বিষয়গুলো সত্য না মিথ্যা অথবা বানোয়াট বা তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিনা সেটা এখনো নির্ধারিত হয়নি। অবশ্য এখানে ঐ দুষ্ট শিল্পীর গানের লাইন না আনাই ভালো। হ্যা ঐ যে ” কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা, নির্দেশ করে দেন তারা, ওরা কারা, ওরা কারা “। না ওরা কারা, তা জানার দরকার নেই। ইতিহাস শুধু বলার জন্যই হয়, বাস্তবায়নের জন্য নয়। আমার তথাকথিত ইতিহাসটি কি তার চেয়ে ব্যাতিক্রম হবে !। আসলে এগুলো বলার জন্য বলা। করোনার মইধ্যে সময় কাটানো ! এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথায় আসি। ৭৫ এর পরবর্তী কালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত, আব্দুল গফফার চৌধুরী সম্পাদিত ” বাংলার ডাক ” পত্রিকাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক বিতরণের মুল দাইত্তো মূলত আমার উপরই ছিল। তাছাড়া আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক থাকায়, কাজটাও আমার জন্য কিছুটা সুবিধা ছিল। যদিও ঐ সময় ঐ পত্রিকা বিতরণ করা খুবই রিস্কি কাজ ছিল। প্রতিমুহূর্তে বিশেষ বাহিনীর লোকজন ওয়াচ করতো। তারপরও তখন সকলের মাঝে একটি অদম্য ইচ্ছা কাজ করতো, আমরা জিয়ার সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী অন্দোলণে আছি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার প্রতিশোধে নিরন্তন যুদ্ধে এগিয়ে চলছি। আজকে তাদের অনেকেই আছেন। আছেন ওবায়দুল কাদের ভাই, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ভাই, খ ম জাহাঙ্গীর ভাই, রবিউল মোক্তদির ভাই, চুন্নু ভাই, হাবিবুর রহমান খান ভাই, গোলাম মহিউদ্দিন ভাই।রকিবুর রহমান ভাই, দাদা মুকুল বোস সহ অনেকে। আবার অবেলাতে চলে গেছেন গোলাম সরোয়ার ভাই, কাজী ইকবাল ভাই, মহিবুর রহীম বাবুল ভাই সহ অনেকে। আর হটাৎই রক্তে রঞ্জিত হয়ে চলে গেলো, আমার বন্ধু সেলিম, সাথে দেলোয়ার আর আমার প্রিয় ছাত্রলীগ নেতা রাউফুন বসুনিয়া।(ক্রমশঃ) এডভোকেট খোন্দকার শামসুল হক রেজা,সাবেক সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক লীগ। ২০ ডিসেম্বর ‘২০২০
শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102