বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইষ্টার্ণ প্লাজায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে করলেন বিশ্ব মানবাধিকার ভিশন ঢাকা বিভাগ শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক ৪১তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ ফারাক্কা লংমার্চ জাতির চেতনাকে শাণিত করে : বাংলাদেশ ন্যাপ রাজধানী মোহাম্মদপুর প্রাইম হাসপাতালে ইলিজারভ পদ্ধতিতে ভাঙ্গা হাটুর সফল অস্ত্রোপচার হচ্ছে বিএনপি-জামাত নির্বাচনে যাবেন না, হতেও দিবেন না, পরের কথাটা কি ? তাও বলতে পারলেন না তথাকথিত ‘গণকমিশন’ ইসলাম ও আলেম উলামাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বর্ধিত সভার বিজ্ঞপ্তিঃ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ পর্ব ৮০: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা যুদ্ধ কারো কাম্ম না হলেও একটি যুদ্ধের প্রয়োজন ছিলো, বিশ্ব ক্ষমতার ভারসাম্ম্যের জন্যে দেশে সাংবিধানিক স্বৈরশাসন চলছে: গোলাম মোহাম্মদ কাদের

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ইজারা দেয়া গণবিরোধী, তুঘলকি : বাংলাদেশ ন্যাপ

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২
  • ২৪ দেখা হয়েছে

রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের অজুহাত দেখিয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের একাংশকে প্রাইভেট জোন ঘোষণা করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করার মত গণবিরোধী, তুঘলকি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. জসিম মাহমুদ তালুকদার এ প্রতিবাদ জানান।

তারা বলেন, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামের সর্বশেষ উম্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র, যেখানে মানুষ অবসর সময়ে গিয়ে একটু স্বস্ত্বির নিঃশ্বাস নিতে পারে। প্রকৃতির দানে গড়ে ওঠা এই সম্পদ, কোনো ব্যক্তি বিশেষের তৈরি নয়। চট্টগ্রাম শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত যেসব স্থান ছিল উন্নয়নের নামে প্রায় সবগুলো একে একে ধ্বংস করা হয়েছে। ফয়েস লেককে বেসরকারি খাতে ইজারা দিয়ে তা সর্বসাধারনের জন্য অবরুদ্ধ করে ফেলা হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রাম শহরে এখন মানুষের ঘুরে বেড়ানোর জন্য এক টুকরো উন্মুক্ত প্রান্তর আর অবশিষ্ট নেই। সন্তানদের খেলার কোনো জায়গা নেই। সর্বশেষ পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতও বেসরকারি খাতে দিয়ে অবরুদ্ধ করে ফেলার এ প্রক্রিয়া চট্টগ্রামবাসী কোনভাবেই মেনে নিতে পারে না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় মেটাতে নাকি তারা সমুদ্র সৈকত ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিডিএ’র এ বক্তব্য অপরিণামদর্শী, গণবিরোধী। এভাবে বেসরকারি খাতে সৈকত ইজরা দিয়ে দিলে সেখানে তো সর্বসাধারণের অবাধ যাতায়াতের অধিকার খর্ব হবে। শুধুমাত্র বিত্তবানদের জন্য সুযোগ তৈরি হবে, বঞ্চিত হবেন আপামর জনসাধারণ। সিডিএ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, তাদের তো নাগরিকের অধিকার খর্ব করার কোন অধিকার ও এখতিয়ার নেই।

তারা আরো বলেন, সিডিএকে মনে রাখতে হবে সমুদ্র সৈকত জনগণের সম্পদ। কারো কোন অধিকার নেই এই সম্পদ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার। রাষ্ট্রের কোন অধিকার নেই এই সম্পদ শুধুমাত্র বিত্তবানদের হাতে তুলে দেওয়ার। অবিলম্বে জনগনের স্বার্থে এ চক্রান্ত বন্ধ করা উচিত।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102