বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
গুরুতর অসুস্থ মোঃ মনিরুজ্জামানের জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন, লিটন মাস্টার ডিসেম্বর বাঙালি জাতির বিজয়ের মাস, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আপন ঠিকানা মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পছন্দের শীর্ষে শারমিন সরকার আগামীকাল থেকেই দেশের সব জায়গায় নেতাকর্মীদের পাহারায় থাকতে বললেন : ওবায়দুল কাদের কাউখালীতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতার মুখ থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে নতুন ষড়যন্ত্রঃ আব্দুর রহমান শাহ্ ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ‘বাংলাদেশ’ নামকরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু: আবু সাঈদ তালুকদার ঢাকা মহানগর উত্তর কৃষক লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হলেন আব্দুস সালাম জয় বিএনপির ভয় কি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের,পাকিস্তানের পরাজয়ের স্থানের ? ক্যামেরুনের কাছে হারল ব্রাজিল

দেবরের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়া, সেই ভাবি রিমান্ড শেষে কারাগারে

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৪৭ দেখা হয়েছে

খাস খবর বাংলাদেশ ডেস্কঃ তুচ্ছ ঘটনায় দেবরের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ভাবি ফাতেমা আক্তার সুমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ ২৬ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৩ ডিসেম্বর ফাতেমাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠান অপর একটি আদালত। সেই রিমান্ড শেষে শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে ফের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই অমল কৃষ্ণ দে। আসামিপক্ষে আইনজীবী ইলিয়াস উদ্দিন মৃধা ও সাইফুল ইসলাম রনি রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ভুক্তভোগী মো. সামিউল। স্টিলের প্লেনশিটের দোকানে চাকরি করে বেতনের টাকা বড় ভাবি ফাতেমার কাছে জমা রাখতেন তিনি। সেই জমানো টাকা ফেরত চাইলে ঘটনার দিন ৯ নভেম্বর শাহবাগ থানাধীন পীর ইয়েমেনী মার্কেটের সামনে তাকে যেতে বলেন ফাতেমা। কাজে যাওয়ার জন্য বের হয়ে ভাবির ফোন পেয়ে সেখানে যান সামিউল। সেখানে গেলে ফাতেমা রাস্তায় দাঁড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা না দিয়ে পীর ইয়ামেনী আবাসিক হোটেলের পঞ্চম তলা ৫১৪ নং রুমে যেতে বলেন। রুমে যাওয়ার পরপরই আসামি সামিউলের চোখে-মুখে চেতনানাশক স্প্রে করেন। তখন সামিউল অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আসামি ফাতেমা অজ্ঞান অবস্থায় দেবরকে হত্যার উদ্দেশ্যে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন। দুই ঘণ্টা পর সামিউলের জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।

পরে আসামি নিজেই হোটেলের বাইরে অবস্থানরত অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের সহায়তায় সামিউলকে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা না হওয়ায় এরপর তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেও কোনো চিকিৎসা না পাওয়ায় বিকেল ৫টার দিকে আল মানার হাসপাতালে ভর্তি করেন। ভুক্তভোগী এখনও সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার প্রায় দেড়মাস পর ২২ ডিসেম্বর সামিউলের মেজ ভাই শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পরই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন পশ্চিমদী শ্যামপুর এলাকা থেকে ভাবি ফাতেমা আক্তার সুমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102