সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মন খুলে দে,ও তুই হেলা করিস না, গোপালগঞ্জে যাবরে ভাই মোটরসাইকেল নিয়া ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে মান্নান হোসেন শাহীন সভাপতি, শেখ মোঃ জহিরুল ইসলাম অপু সাধারণ সম্পাদক ৩২ নং ওয়ার্ডে মোঃ বেলাল আহমেদ সভাপতি, মোঃ আবুল বাশার সাধারণ সম্পাদক ৩১ নং ওয়ার্ডে শহীদ আলী সভাপতি, সাজেদুল হক খান রনি সাধারণ সম্পাদক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শিগগিরই আর একটি গণঅভ্যুত্থান হবে: আমান উল্লাহ আমান শৈলকূপ উপজেলার ১১ নং আবাইপুর ইউনিয়নের ঢাকায় অবস্থানকারী দের নিয়ে গঠিত হলো লিজেন্ড এগারো নামে একটি ক্লাব বধ্যভূমি, একটি বটগাছ ও একজন রবিউল প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কোন পথে কোরবানির আয়োজনে ? বৃষ্টির দিনেও রান্না করা খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে রাজধানী মোহান্মদপুর ক্লাব সাধারণ সম্পাদক পদে সকলের পছন্দ হাফেজ মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসেন

ডাকসু ভিপি ও ৬৯-এর গণআন্দোলনের মহানায়ক তোফায়েল আহমেদ এর শুভ জন্মদিন

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৪৪ দেখা হয়েছে

বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য জননেতা তোফায়েল আহমেদের ৭৮তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা আজহার আলী ও মা ফাতেমা খানম ছিলেন এলাকার সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম এবং তাদের একমাত্র কন্যা তাসলিমা আহমেদ জামান (মুন্নী)।

কলেজ জীবনেই সক্রিয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর অন্যতম প্রধান ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মহানায়কখ্যাত তোফায়েল আহমেদ। সেই সময় ছাত্র সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ওই সময় ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা কর্মসূচিকে ১১ দফায় অন্তর্ভুক্ত করে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। এই গণঅভ্যুত্থানে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ৩৩ মাস কারাগারে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ‘আগরতলা মামলা’য় আটক সব রাজবন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভার সভাপতি হিসেবে ১০ লাখের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৬৯ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।

১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সাহচর্যে আসেন তোফায়েল আহমেদ। সত্তরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সংগঠক এবং ‘মুজিব বাহিনী’র অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ’ ও ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী তোফায়েল আহমেদ স্বাধীন দেশে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব পরিবারে নৃশংস ভাবে হত্যা করে একদল ক্ষমতা লোভী কুচক্রী মহল এর প্রতিবাদ করার কারনে ১৯৭৫ এর পর তোফায়েল আহমেদকে করতে হয়েছে কারাবরণ। সাংগঠনিক সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যসহ দলীয় বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন। নিজ জেলা ভোলা থেকে আটবার নির্বাচিত হয়েছেন সংসদ সদস্য। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায়ও। প্রিয় নেতা তোফায়েল আহমেদ এর ৭৮তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর প্রতি রইলো আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা সহকারে সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি 👉 শুভ জন্মদিন।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102