বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জন্মদিনে নানা শ্রেণির মানুষের ভালো বাসায় সিক্ত আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ রুস্তুম আলী জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত যুবলীগের নেতা মোঃ আলমগীর হোসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আগুনে পুড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু শীতার্ত মানুষের ঘরে ঘরে কম্বল পৌঁছে দিচ্ছেন ঝাল মুড়ি বিক্রেতা মোহাম্মদ জাবেদ ইসলাম পর্ব ৫৮: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা বাঙ্গালীর মাতৃভাষা আন্দোলন সংস্কৃতি রক্ষা স্বাধীকার স্বাধীনতা ও বর্তমান উন্নয়ন প্রেক্ষাপট সন্ত্রাসী সংগঠন হুজিবি প্রধানসহ গ্রেফতার ৬; বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল, বলছে সিটিটিসি গ্যাসে ভাসছে ভোলা, কঠিন হচ্ছে তোলা কর্ণেল (অব) শওকত আলীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে আবু সাঈদ তালুকদারের বিনম্র শ্রদ্ধা মিলেমিশে এ জীবনঃ কবি মোঃ নাসির উদ্দিন দুলাল

টিকটক-লাইকির মডেল বানানোর ফাঁদে ফেলে চার ছাত্রীকে ধর্ষণ

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১২৮ দেখা হয়েছে

কথিত মডেল দেওয়ান রসুল হৃদয় (১৯)। তিনি নানা ভিডিও তৈরি করে তা টিকটক ও লাইকিতে আপলোড করেন। সেখানে অভিনয়ের ফাঁদে ফেলে একে একে চার ছাত্রীকে নিজের বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কুড়িলে হৃদয়ের বাসায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার শিকার ছাত্রীরা ভাটারা থানায় অভিযোগ দিলে সোমবার রাতে পুলিশ হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ বলছে, পাশবিকতার শিকার ছাত্রীদের তিনজন কলেজে এবং একজন স্কুলের ছাত্রী। তাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। তারা ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় থাকেন। গ্রেপ্তার হৃদয় একজন ক্রমিক ধর্ষক (সিরিয়াল রেপিস্ট)।

পুলিশ জানায়, হৃদয় গত ১২ সেপ্টেম্বর নিজের বন্ধুদের নিয়ে গাজীপুরের একটি রিসোর্টে পার্টির আয়োজন করে। সেখানে পরিচয়ের সূত্রে দুই কলেজ শিক্ষার্থী মডেল হওয়ার আগ্রহ দেখায়। এর দুদিন পর হৃদয়ের একজন বান্ধবীর মাধ্যমে তারা কুড়িলে হৃদয়ের বাসায় আসে। টিকটকের শ্যুটিং শুরু হওয়ার কথা বলে তাদের ওই বাসার নিচতলার একটি কক্ষে থাকতে দেওয়া হয়। এরপর ওই ছাত্রীদের উপর পাশবিকতা চালায় সে। হৃদয়ের ফেসবুকে ‘টিকটক ও লাইকিতে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে’ এমন বিজ্ঞাপন দেখে গত ২০ সেপ্টেম্বর আরও দুই শিক্ষার্থী হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাদেরও হৃদয় শ্যুটিংয়ের কথা বলে নিজের বাসায় থাকতে দেয়। পরদিন সকালে তাদের মধ্যে একজনকে বাসার তৃতীয় তলায় নিয়ে পাশবিকতা চালানো হয়। ওই রাতেই আরেক শিক্ষার্থীর ওপর চলে পাশবিকতা। এভাবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার শিক্ষার্থীকে নিজের বাসায় আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে হৃদয়।

পুলিশের গুলশান বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, ঘটনার শিকার তরুণী ও কিশোরীরা উচ্চাভিলাসী। তারা ভিডিও শেয়ারিং সাইট টিকটক ও লাইকিতে অভিনয়ের চেষ্টা করছিল। কেউ আবার মডেল হতে আগ্রহী। হৃদয় ওই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে। ধর্ষণের পর তাদের নানা ভয় দেখিয়ে এবং মডেল বানোর স্বপ্ন দেখিয়ে নিজের বাসায় আটকে রাখা হতো। মডেল হওয়ার স্বপ্নে এবং আতঙ্কে তারা মুখও খুলতো না। হৃদয়ের টার্গেট ছিল রঙিন দুনিয়ার স্বপ্নে বিভোর তরুণী ও কিশোরীরা।

ভাটারা থানার ওসি মোক্তারুজ্জামান বলেন, ঘটনার শিকার চার ছাত্রীর একজন থানায় অভিযোগ দিয়েছিলেন। এরপর পুলিশ ঘটনা তদন্ত করতে গেলে কথিত মডেল হৃদয়ের হিংগ্র রূপ বেরিয়ে আসে। পুলিশ জানতে পারে একজন নয়, একে একে চারজনকে ধর্ষণ করেছে ওই নরপশু। তিনি বলেন, কুড়িলের বাড়িটি হৃদয়ের নিজস্ব। পরিচয় গোপন করে মেয়েদের বাড়ির নিচতলায় ভাড়াটে হিসেবে রাখতো। সেখানে ঘটনার শিকার চারজনসহ আরও এক তরুণীকে পাওয়া গেছে। তবে ওই তরুণী তার প্রতি কোনো পাশবিকতা হয়নি বলে দাবি করেছেন। অবশ্য একজনের অভিযোগ তদন্তে গিয়ে আরও তিনজন হৃদয়ের পাশবিকতার বিবরণ দিয়েছে। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হৃদয়ও তার অপকর্মের কথা স্বীকার করেছে।

পুলিশের তদন্ত সংশ্নিষ্ট অপর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হৃদয় নিজেকে মডেল ও নৃত্যশিল্পী পরিচয় দেয়। দীর্ঘদিন ধরেই সেই এমন পরিচয়ে অপকর্ম করে আসছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। তার আর কোনো সহযোগী রয়েছে কি না তা জানার চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102