মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১১:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক ৪১তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ ফারাক্কা লংমার্চ জাতির চেতনাকে শাণিত করে : বাংলাদেশ ন্যাপ রাজধানী মোহাম্মদপুর প্রাইম হাসপাতালে ইলিজারভ পদ্ধতিতে ভাঙ্গা হাটুর সফল অস্ত্রোপচার হচ্ছে বিএনপি-জামাত নির্বাচনে যাবেন না, হতেও দিবেন না, পরের কথাটা কি ? তাও বলতে পারলেন না তথাকথিত ‘গণকমিশন’ ইসলাম ও আলেম উলামাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বর্ধিত সভার বিজ্ঞপ্তিঃ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ পর্ব ৮০: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা যুদ্ধ কারো কাম্ম না হলেও একটি যুদ্ধের প্রয়োজন ছিলো, বিশ্ব ক্ষমতার ভারসাম্ম্যের জন্যে দেশে সাংবিধানিক স্বৈরশাসন চলছে: গোলাম মোহাম্মদ কাদের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ইজারা দেয়া গণবিরোধী, তুঘলকি : বাংলাদেশ ন্যাপ

ঝিনাইদহ জেলা আ.লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সাইদুল করিম মিন্টু এবং কনক কান্তি দাস

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম সোমবার, ৯ মে, ২০২২
  • ৯৮২ দেখা হয়েছে

মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে জেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উৎসবমূখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আগামী ১৭ মে ২০২২ রোজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক এই সম্মেলন।

ইতিমধ্যে নেতাকর্মীরাও উজ্জীবিত হয়ে উঠছেন নানামূখি তৎপরতায়। আর সম্মেলনে পদপ্রত্যাশী নেতৃবৃন্দ ব্যাপক দৌড়ঝাপ চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারে।

সূত্র বলছে, জেলার শীর্ষ দুটি পদে প্রধানমন্ত্রীর মনোনীতদেরই ঠাই হবে। এজন্য শেষ মুহুর্তে এসে তারা প্রধানমন্ত্রীর গুডবুকে নাম লেখাতে উদগ্রীব।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে শোনা যাচ্ছে অনেক পদপ্রত্যাশীর নাম। তবে তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যরা বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু অথবা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কনক কান্তি দাস কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান।

সাইদুল করিম মিন্টু এবং কনক কান্তি দাসকে পছন্দ করার কারণ দুই জনেই তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে এ পর্যন্ত এসেছেন।

২০১১ সালে জনগণের ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু। নির্বাচিত হওয়ার পর মেয়র মিন্টু ঝিনাইদহ পৌরসভাকে উন্নয়নে রূপান্তির করেছে।

২০১৬ সালে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কনক কান্তি দাস।

কনক কান্তি দাস জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর অসাম্প্রদায়িকতা, সততা ও উন্নয়নের মধ্য দিয়ে ঝিনাইদহ জেলার সর্বস্তরের জনগণ জেলা পরিষদ চিনতে পেরেছে। ঝিনাইদহ জেলার সকল উপজেলার স্কুল, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান, শশ্নান, ঈদগাহ, অসহায় মানুষের সাহায্য, এমনকি পাড়া মহল্লার রাস্তা সহ জেলা পরিষদের ছোয়া লাগে নাই এমন কোন জায়গা নেই।কনক কান্তি দাস ঝিনাইদহ জেলা সকলের নিকট নয়নের মনি।

বিভিন্ন শ্রেণির ব্যক্তিদের নিয়ে এক জরিপে এ রকম তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণির নাগরিকদের ওপর সরেজমিন জরিপে সাইদুল করিম মিন্টু অথবা কনক কান্তি দাসকে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান। জরিপে প্রথমে আছেন সাইদুল করিম মিন্টু এবং দ্বিতীয় স্থানে আছেন কনক কান্তি দাস। আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী লোকজনের মতামতের ভিত্তিতে এ অনুসন্ধানী রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102