May 24, 2024, 10:14 pm
শিরোনামঃ
শৈলকুপার এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা এমন যদি হতোঃ কবি মোঃ খোকন খান ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত ডেইজী সারোয়ার জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফোরামের কমিটি গঠন সাংবাদিককে হেনস্থাকারী ছাত্রলীগ নেতার বিচার চায় বিডিজেএ ঘটনার সময় বাংলাদেশে ছিলাম, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে : আক্তারুজ্জামান শাহীন বাবাকে নিয়ে এমপি আনারের মেয়ে ডরিন আবেগঘন স্ট্যাটাস বাবার হত্যার বিচারে চাইলেন মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন মৎস্যজীবী লীগের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের ‘লাশ’ কলকাতা থেকে উদ্ধার

ঝিনাইদহ এলজিইডির রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতি এ দায় কার ঠিকাদার এলজিডি কতৃপক্ষের?

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Tuesday, April 26, 2022
  • 271 Time View

সাহিদুল এনাম পল্লব: 

গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ কাজে এলজিইডির ভূমিকা অপরিসীম । দেশের পল্লী অঞ্চলের গ্রামীন রাস্তা গুলো সাধারণত এলজিইডির তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়ে থাকে। ঝিনাইদহ ঝিনাইদহ সদর উপজেলা তার ব্যতিক্রম নয়। সারাবছর ঝিনাইদহ গ্রামের বিভিন্ন রাস্তা গুলো এলজিডি তৈরি করে যাচ্ছে কিন্তু এই রাস্তা গুলো বছর পার হতে না হতেই আবার দেখা যায় যে রাস্তাগুলোর চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। রাস্তাগুলো নির্মাণ কাজে দরপত্র আহবানের সময়ে ঠিকাদারের একটি শর্ত দেয়া হয় যা একটি নির্দিষ্ট অংকের টাকা জমা থাকে। এই টাকা এক বছর পর রাস্তা যদি খারাপ না হয়ে যায় তাহলে ঠিকাদার তুলতে পারবে। কিন্তু এলজিডি রাস্তা নির্মাণের পরে অনেক রাস্তায় এক বছরের আগে খারাপ হয়ে গেছে তবে এমন কোন নজির নেই যে ঠিকাদারের এই জামানতের টাকা ফেরত পায়নি। সম্প্রতিকালে ঝিনাইদহ যশোর মহাসড়কের খড়িখালী বটতলা নামক স্থান থেকে কুলবাড়িয়া পর্যন্ত 3.2 কিলোমিটার প্রায় 1 কোটি 17 লক্ষ টাকা ব্যয় রাস্তা নির্মাণ করেন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ রাস্তাটি নির্মাণের পরে মাত্র তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর দুই-তিনটি জায়গা রাস্তা নির্মাণের সময় থেকে গ্রামীণ পরিবহন চলাচলের ফলে কানুহরপুর গ্রামের শাহজানের বাড়ির সামনের পিচ উঠে রাস্তার পাশে ছড়িয়ে পড়ে।
এই রাস্তার পাশে বসবাসরত কয়েকজন জানান যে এই রাস্তা তৈরি সময় ইট সুরকির উপরের ধুলাবালি ভালো করে পরিষ্কার করা হয়নি ও এই সময়ে ইট-সুরকির উপর তেল পোড়া মবিল জাতীয় যাহা ছিটানো হয় তাহা ঠিকমতো দেয়া হয়নি। তাহা ছাড়া রাস্তা নির্মাণের সময় সাইডে অ্যাঙ্গেল ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও এই রাস্তা নির্মাণ কাজে সাইডে কোন অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করা হয়নি। যার কারণে রাস্তার সাইটগুলোতে পিস ঠিকমতো পিটানো হয়নি রাস্তায় উঠে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। তারা আরো বলেন এই রাস্তা ছয় মাসের বেশি টেকসই হবে না শুধু শুধু সরকার এই দুর্নীতিবাজদের দিয়ে টাকা অপচয় করে তাকে দের পকেট ভরছে মাত্র।
এ প্রসঙ্গে এলজিইডির ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব এর নিকট জানতে চাইলে সে বলে যে ঝিনাইদহে মিজানুর রহমান মাসুম মানে এক স্বনামধন্য ঠিকাদার এই কাজ করছে। কাজে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি নেই। খুব সুন্দর কাজ হয়েছে। কাজ হওয়ার পর কেউ হয়তো শত্রুতা অথবা দুষ্টুমি করে হাত দিয়ে প্লীজ উঠাইয়ে ফেলেছে। আপনাদের জানা নেই এলজিডি এর কাজে কোন অনিয়ম-দুর্নীতির সুযোগ নেই। এলজিডি সদর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী এই বক্তব্যে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে যে গ্রামীণ রাস্তাগুলো এক বছর যেতে না যেতেই আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে ঠিকাদারের দায় না থাকলে এই দায় কার? আহসান হাবিব লিংকন

বিশেষ কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে এলজিইডি রাস্তা নির্মাণে যত ভালো করে কাজ করো না কেন অফিস কর্তৃপক্ষকে 5% হারে 5% হারে উৎকোচ দিতে হয়। যার কারণে এলজিইডির নির্বাহী কর্মকর্তা যেভাবে কাজ করুক না কেন ঠিকাদারের নামে কিছু বলার ক্ষমতা রাখেনা। যার কারণে কোন সাংবাদিক এলজিইডি রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে কোন কিছু জানতে চাইলে জেলা সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার আহসান হাবিব বিরক্ত এবং রাগান্বিত বোধ করেন।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102