April 14, 2024, 5:40 am
শিরোনামঃ
বাংলা ও বাঙ্গালীর নববর্ষঃ আঃ রহমান শাহ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন কৃষক লীগ নেতা মোঃ হালিম খান পদ্মা সেতুতে একদিনে সর্বোচ্চ টোল আদায়ের রেকর্ড জাহাজেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলেন জিম্মি নাবিকরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছে আলহাজ্ব লায়ন মোঃ দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করুন :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ বশির আহম্মেদ রাজবাড়ীর কালুখালীতে বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ রাজধানী মোহাম্মদপুর মোঃ রুস্তুম আলীর আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মৎস্যজীবী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Saturday, August 26, 2023
  • 53 Time View

মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের আয়োজন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ আগস্ট) ২৩ বঙ্গবন্ধ এভিনিউর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিজস্ব কার্যালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শিল্পপতি লায়ন শেখ আজগর নস্কর এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

এ সময় আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের কার্যকরী সভাপতি সাইফুল আলম মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সিদ্দিকী মামুন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সহ কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের পরে দেশ যখন উন্নয়নের দ্বারপ্রান্তে এগিয়ে যাচ্ছিল তখনই দেশের মধ্যে উৎপেতে থাকা কিছু চক্রান্তকারী বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবারে হত্যা করে। সেই দিন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বেঁচে থাকার কারণে দেশ উন্নয়নের দ্বার প্রান্তে চলে আসছে।

লায়ন শেখ আজগর নস্কর  বলেন, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাঁচানোর সকল চেষ্টাই করেছে জিয়া। তাদের রক্ষায় জিয়া ইনডেমনিটি আইন জারি করেছিলো। জিয়া দেশের সংবিধানকে কলঙ্কিত করেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি জঘন্যতম এক অধ্যায়। জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিল।

 

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, দিয়েছেন লাল-সবুজের পতাকা। এমন একজন মানুষকে অমানুষদের হাতে স্বপরিবারে জীবন দিতে হলো। এধরনের জঘন্যতম ঘটনা বিশ্বের বুকে দ্বিতীয়টি আর ঘটেনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ও ২০০৪ সালে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ছিল একই সূত্রে গাঁথা।

লায়ন শেখ আজগর নস্কর বলেন, ১৯৭৫ সালে তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল, আর ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সকল নেতাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। ভাগ্যক্রমে সেদিন শেখ হাসিনা বেঁচে যান। তবে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মী মৃত্যুবরণ করেন। গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মীসহ বেশ ক’জন সাংবাদিক। আহত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের অনেকে শরীরে স্প্লিন্টার নিয়ে এখনও দুঃসহ মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কিন্তু ষড়যন্ত্র এখনো চলছে, ষড়যন্ত্র শেষ হয়নি। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র চায় বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে, স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে নির্মূল করতে।

তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমাদের সবাইকে এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে এবং আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে হবে।

আলোচনা সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ১৫ আগস্ট বাঙালির শোকের দিন। বাংলার আকাশ-বাতাস আর প্রকৃতিও অশ্রুসিক্ত হওয়ার দিন। কেননা পঁচাত্তরের এই দিনে আগস্ট আর শ্রাবণ মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট সুবেহ সাদিকের সময় যখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নিজ বাসভবনে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে বুলেটের বৃষ্টিতে ঘাতকরা ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল, তখন যে বৃষ্টি ঝরছিল, তা যেন ছিল প্রকৃতিরই অশ্রুপাত। ভেজা বাতাস কেঁদেছে সমগ্র বাংলায়। ঘাতকদের উদ্যত অস্ত্রের সামনে ভীতসন্ত্রস্ত বাংলাদেশ বিহ্বল হয়ে পড়েছিল শোকে আর অভাবিত ঘটনার আকস্মিকতায়। কাল থেকে কালান্তরে জ্বলবে এ শোকের আগুন। ১৫ আগস্ট শোকার্দ্র বাণী পাঠের দিন, স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী।

দোয়া ও মাহফিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদদের, ভাষা আন্দোলনসহ ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনার পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে দোয়া করা হয়।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102