April 14, 2024, 3:58 am
শিরোনামঃ
বাংলা ও বাঙ্গালীর নববর্ষঃ আঃ রহমান শাহ ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন কৃষক লীগ নেতা মোঃ হালিম খান পদ্মা সেতুতে একদিনে সর্বোচ্চ টোল আদায়ের রেকর্ড জাহাজেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করলেন জিম্মি নাবিকরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছে আলহাজ্ব লায়ন মোঃ দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করুন :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মোঃ বশির আহম্মেদ রাজবাড়ীর কালুখালীতে বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ রাজধানী মোহাম্মদপুর মোঃ রুস্তুম আলীর আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে কৃষক লীগের শ্রদ্ধা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Sunday, August 27, 2023
  • 86 Time View

মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ প্রেম ও দ্রোহের কবি খ্যাত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির সমাধিতে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।

আজ ২৭ আগস্ট ২০২৩ রোজ রবিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল জামে মসজিদের পাশে কবির সমাধিতে গিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী ও কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ এর নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় কেন্দ্রীয় ও মহানগর কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুলের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে, কৃষক লীগের নেতারা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবি কাজী নজরুলকে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে এনে জাতীয় কবির মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করে যথার্থভাবে সম্মানিত করেছেন। কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অসাম্প্রদায়িক, মানবিক, সাম্য ও প্রেমের কবি। তিনি আমাদের অফুরান প্রেরণার উৎস। তাঁর দর্শন ও চেতনা সব শ্রেণির মানুষকে সর্বদা অনুপ্রাণিত করে।

উল্লেখ্যঃ ১৯৭৬ সালের এ দিনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (তৎকালীন পিজি হাসপাতাল) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ তার ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী।

কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গানের মাধ্যমে শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে তার গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস। নজরুলের সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ লেখক। তার লেখনী আজও জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তার কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলেছে।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102