মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক ৪১তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ ফারাক্কা লংমার্চ জাতির চেতনাকে শাণিত করে : বাংলাদেশ ন্যাপ রাজধানী মোহাম্মদপুর প্রাইম হাসপাতালে ইলিজারভ পদ্ধতিতে ভাঙ্গা হাটুর সফল অস্ত্রোপচার হচ্ছে বিএনপি-জামাত নির্বাচনে যাবেন না, হতেও দিবেন না, পরের কথাটা কি ? তাও বলতে পারলেন না তথাকথিত ‘গণকমিশন’ ইসলাম ও আলেম উলামাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বর্ধিত সভার বিজ্ঞপ্তিঃ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ পর্ব ৮০: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা যুদ্ধ কারো কাম্ম না হলেও একটি যুদ্ধের প্রয়োজন ছিলো, বিশ্ব ক্ষমতার ভারসাম্ম্যের জন্যে দেশে সাংবিধানিক স্বৈরশাসন চলছে: গোলাম মোহাম্মদ কাদের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ইজারা দেয়া গণবিরোধী, তুঘলকি : বাংলাদেশ ন্যাপ

চলচ্চিত্রের সোনালী দিনের নায়ক ওয়াসিমও চলে গেলেন

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ১১২ দেখা হয়েছে

খাস খবর বাংলাদেশঃ চলচ্চিত্রের সোনালী দিনের চিত্রনায়ক ওয়াসিমও চলে গেলেন। ১৭ এপ্রিল ২০২১ রোজ শনিবার রাত পৌনে ১টার দিকে শাহাবুদ্দিন মেডিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে… রাজিউন)। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বেশ কিছুদিন ধরে তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে হাঁটতে পারছিলেন না তিনি, বিছানায় শুয়েই কাটছিল তার সময়। এসব তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। এর আগে তিনি নিজের ফেসবুক একাউন্টে লিখেছিলেন, রাজকীয় ছবি মানেই ওয়াসিম ভাই। অনেক ছবি সুপারহিট দিয়েছেন তিনি। কিছুদিন ধরে অনেক অসুস্থ, হাঁটতে পারছেন না। বিছানাতে শুয়েই কাটছে সময়। সবার কাছে দোয়া চাচ্ছি ওয়াসিম ভাইয়ের জন্য।

এক সময় বাণিজ্যিক-অ্যাকশনের পাশাপাশি ফোক-ফ্যান্টাসি সিনেমার এক নম্বর আসনটি দখলে ছিল ওয়াসিমের। ১৯৭২ সালে ঢাকাই সিনেমাতে ওয়াসিমের অভিষেক হয় সহকারী পরিচালক হিসেবে ‘ছন্দ হারিয়ে গেলো’র মাধ্যমে। নায়ক হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয় মহসিন পরিচালিত ‘রাতের পর দিন’ সিনেমার মাধ্যমে। সিনেমাটি ব্যবসাসফল হলে সুপারস্টার হয়ে উঠেন তিনি। এরপর ১৯৭৬ সালে মুক্তি পাওয়া এস এম শফী পরিচালিত ‘দি রেইন’ সিনেমা তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। দিন যতই যেতে থাকে ওয়াসিমের জনপ্রিয়তা ততই আকাশচুম্বী হয়। এক সময় বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমায় অপরিহার্য নায়ক হয়ে ওঠেছিলেন তিনি।

১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত চলচ্চিত্রে শীর্ষ নায়কদের একজন ছিলেন তিনি। ফোক ফ্যান্টাসি আর অ্যাকশন ছবির অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা ছিলেন তিনি। অভিনয় জীবনে ১৫২টির মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হলো- দ্য রেইন, ডাকু মনসুর, জিঘাংসা, কে আসল কে নকল, বাহাদুর, দোস্ত দুশমন, মানসী, দুই রাজকুমার, সওদাগর, নরম গরম, ইমান, রাতের পর দিন, আসামি হাজির, মিস লোলিতা, রাজ দুলারী, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, লুটেরা, লাল মেম সাহেব, বেদ্বীন, জীবন সাথী, রাজনন্দিনী, রাজমহল, বিনি সুতার মালা, বানজারান।

তিনি অলিভিয়া, অঞ্জু ঘোষ ও শাবানার সঙ্গে বেশি সংখ্যক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দি রেইন সিনেমায় নায়িকা ছিলেন অলিভিয়া। এরপর বাহাদুর, লুটেরা, লাল মেম সাহেব, বেদ্বীন সিনেমায় অলিভিয়ার সঙ্গে অভিনয় করেন। রাজ দুলালী ছবিতে শাবানার সঙ্গে অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলে। অঞ্জু ঘোষের সঙ্গে অভিনয় করেছেন- সওদাগর, নরম গরম, আবেহায়াত, চন্দনদ্বীপের রাজকন্যা, পদ্মাবতী, রসের বাইদানীসহ বেশকিছু সিনেমায়।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102