বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
২৬ শর্তে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ থেকে সঠিক রাজনৈতিক নির্দেশনা নাই অবিভক্ত ঢাকার নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ এর মৃত্যু বার্ষিকীতে ব্যথিত হয়েছি বাসাপ এর জমকালো ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ব্রাজিলের ৪০০ জার্সি বিতরণ করলেন ঝাল মুড়ি বিক্রেতা মোহাম্মদ জাবেদ বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না: রওশন এরশাদ মেয়র হানিফকে হারিয়ে, ঢাকা এখন রাজনৈতিক অন্ধকারে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়লেন মেসি সিমিন হোসেন রিমি আ.লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত হওয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আবু সাঈদ তালুকদার রিচার্লিসনের জোড়া গোল, দাপুটে জয় ব্রাজিলের

খাল উদ্ধার অভিযানে কাউন্সিলররা দখল মুক্ত হবেন ?

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম বুধবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৪৮ দেখা হয়েছে

জনাব রবিউল আলমঃ রায়ের বাজার, মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ,মধু বাজারের খাল এখন রাস্তায় পরিনত হয়েছে। খালের আয়তন ৬০ থেকে ১২০ ফুট হলেও সরকারের ভাগে ৩০ থেকে ৫০ ফুট রাস্তা পরেছে। বাকী অংশ ভাগবাটোরা হয়ে গেছে। পুলপার বটতলা থেকে ঋষি পাড়া মধু বাজার হয়ে জিগাতলার খালের অস্তিত্বই নাই। জাফরাবাদ পর্যন্ত একটি ছোট্ট রাস্তা পেয়েছে সরকার, বটতলা থেকে বুদ্ধিজীবী হয়ে খালের অংশ খুজে পাওয়া যাচ্ছে না, বটতলা থেকে রহিম বেপাড়ী ঘাটের খালটি কোথায় ? পাওয়া যাচ্ছে না। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বুদ্ধিজীবীদের রক্তে ভেজা বটগাছের সামনে বিহৎ পুশকুনি। বটতলা থেকে রায়ের বাজার হয়ে বছিলার নদী সংযোগস্থল রাস্তার অর্ধেক অর্ধেক ভাগ হয়েছে সরকার ও দখলদারদের মাঝে। হাজারীবাগ থেকে শিকদার মেডিকেল হয়ে বুড়িগঙ্গায় সংযোগ খালের কিছু অংশ ওয়াসার অধিনে, কিছু অংশে ওয়ার্ড ইউনিট। আওয়ামীলীগের অফিস করা হয়েছে। নিমতলা ঘাটের সংযোগ খালটি হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের অধিনে খালের জমিতে কত বস্তি ও অবৈধ দখল আছে, তার কোনো সঠিক হিসাব নাই। ওয়াসা ও কর্পোরেশনের বিরোধ মিমাংসায় নগরবাসীর ও সরকার স্বঃস্থিতে। যানজট ও জ্বলজট মুক্ত হওয়া একটি সম্ভাবণা জাগ্রত হয়েছে। দুই মেয়রের আন্তরিকতা কে ঢাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন, সরকারের সহায়তার কোনো প্রতিবন্দকতা নাই। কত বড় নেতা, কত হ্মমতা দেখার সময় নাই। ব্যাক্তিগত জমি, উত্তরের মেয়রের ব্যাক্তিগত টাকা দিয়েও জনগণের রাস্তা উন্মুক্ত করা হয়েছে। এই বিষয়টাকে ইতিহাসের অংশই আমি মনে করি, সরকার বিরোধীরা কী মনে করেন, জানতেও চাইনা বুঝতেও চাইনা। আমার সরকারের, আমার দলের হিতাকাঙ্ক্ষী কাউন্সিলরদের সহায়তা চাই। আপনাদের দখলে যদি কোনো খালের জমি থাকে, তবে ছেড়ে দিন। আপনার এলাকায়, আপনার বাড়ীর পাশে খালের জমি দখল করে যদি কেহ স্থাপনা নির্মাণ করে থাকেন, তবে চিহ্নিত করুন। একা না পারলে, জানা না থাকলে এলাকাবাসী সহায়তা গ্রহন করুন। আপনাদের স্ব স্ব রাস্তা ঘাট অবৈধ দখল ও মাদক মুক্ত করার কাজে এগিয়ে আসুন। শেখ হাসিনার সরকার এই দেশের ঝামেলা মুক্ত করেই ছারবেন। দুই মেয়রের আন্তরিকতার অভাব নাই। প্রশাসনের ছাড় নাই। বাংলাদেশকে স্বপ্ন পুরি দেখতে চান, ফুটপাতের চাঁদাবাজির কথা ভুইলা যান। ভুইলা যান এরশাদের কমিশনার না আপনারা। শেখ হাসিনার কাউন্সিলর মনে রাখবেন। যার এমপিরাও জেলে থাকে। সুযোগ বার বার আসেনা। মাননীয় মেয়ররা ইচ্ছে করলে, কাউন্সিলরদের দখলে থাকা অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করার জন্য জনসম্মুখে লিখিত আবেদন চাইতে পারেন। মিডিয়া, সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক সহায়তাকে কাজে লাগাতে পারেন।

লেখকঃ বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব ও রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগের সভাপতি জনাব রবিউল আলম।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102