শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শৈলকূপ উপজেলার ১১ নং আবাইপুর ইউনিয়নের ঢাকায় অবস্থানকারী দের নিয়ে গঠিত হলো লিজেন্ড এগারো নামে একটি ক্লাব বধ্যভূমি, একটি বটগাছ ও একজন রবিউল প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কোন পথে কোরবানির আয়োজনে ? বৃষ্টির দিনেও রান্না করা খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে রাজধানী মোহান্মদপুর ক্লাব সাধারণ সম্পাদক পদে সকলের পছন্দ হাফেজ মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসেন মানি ইজ নো প্রবল্যামের রাজনীতির জনক জিয়া, বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাজনৈতিক কৃপণতার জনক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে কারিগরি শিক্ষা: শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল ইভিএম পেশীশক্তিকে প্রতিরোধে সহায়ক, দিনের ভোট দিনের জন্য মুলমন্ত্র ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় শেখ মোঃ জহিরুল ইসলাম অপু বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণের ব্যবস্হা করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল হেলথ সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটির

কীভাবে উন্নতি করতে হয় বিশ্বকে শেখাচ্ছে বাংলাদেশ

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১
  • ৫৯ দেখা হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশটিতে শিশু দারিদ্র্য দূর করতে সম্প্রতি যে প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন, সেটি কতটা কাজে আসবে, তার উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের দিকেও তাকাতে বলেছেন দুই দুইবার পুলিৎজার পুরস্কার জেতা সাংবাদিক, নিউইয়র্ক টাইমসের বিখ্যাত কলামিস্ট নিকোলাস ক্রিস্টফ। তিনি বলেছেন, এক সময় হতাশাগ্রস্ত থাকলেও একটি দেশ কীভাবে উন্নতি করতে পারে তা বাংলাদেশ এখন বিশ্বকে শেখাচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের মতামত কলামে বুধবার তার লেখা ‘হোয়াট ক্যান বাইডেনস প্ল্যান ডু ফর পোভার্টি? লুক টু বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়।  এতে নিকোলাস ক্রিস্টফ লিখেছেন, মাত্র ৫০ বছর আগে গণহত্যা আর অনাহারের ভেতর বাংলাদেশের জন্ম। সেই দেশটিকে হেনরি কিসিঞ্জার তলাবিহীন ঝুড়ির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।

১৯৯১ সালে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে আসার প্রসঙ্গ টেনে তিনি লিখেছেন, ভয়াল ওই ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশের ১ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। তখন টাইমসে বাংলাদেশকে নিয়ে আমি হতাশার প্রতিবেদন করেছিলাম। ওই সময়ে বাংলাদেশ যত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছিল তাতে হয়তো আমার পর্যবেক্ষণ ঠিক ছিল। কিন্তু আমার সেই হতাশা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তিন দশক ধরে দেশটি অবিশ্বাস্য উন্নতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশি মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর। এটি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কিছু অঞ্চলের চেয়েও বেশি। দেশটি কীভাবে উন্নতি করছে তার থেকে এখন বিশ্বকে যথেষ্ট শেখানোর আছে। দেশটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ধারাবাহিকভাবে অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংক বলছে, কোভিড মহামারির চার বছর আগে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৭ থেকে ৮ শতাংশ বেড়েছে। এটা চীনের থেকেও বেশি।

১৯৮০ সালের দিকে দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করত। আর তখন বাংলাদেশর মেয়েরা খুব একটা শিক্ষার ছোঁয়া পেত না। কিন্তু বাংলাদেশের সেইসময়কার সরকার এবং বিভিন্ন সংস্থা নারী শিক্ষার গুরুত্বে নজর দেয়। বাংলাদেশে এখন ৯৮ শতাংশ শিশু প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো বাংলাদেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষায় ছেলেদের থেকে মেয়েদের সংখ্যা বেশি। মেয়েদের শিক্ষিত করতে পারায় এখন তারাই বাংলাদেশের অর্থনীতির পিলার।

সংশয়বাদী পাঠক হয়ত বিড়বিড় করতে পারেন কিংবা অতিরিক্ত জনসংখ্যা বাংলাদেশের উন্নতিকে পিছিয়ে দেবে মন্তব্য করতে পারেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশি নারীরা (অন্তত সাতটি থেকে নেমে) গড়ে এখন মাত্র দুটি সন্তান নিচ্ছেন। বাংলাদেশ তার গরিব এবং প্রান্তিক মানুষের ওপর দেশটির অপরিশোধিত সম্পদে বিনিয়োগ করেছে। কারণ এখান থেকেই সবচেয়ে বেশি সুফল আসত। আমি বলি এই একই বিষয় যুক্তরাষ্ট্রেও সত্য হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে কোটিপতিদের বাইরে খুব বেশি উৎপাদনশীলতা দেখা যায় না। আমেরিকায় প্রতি সাত শিশুর একজন, যারা মাধ্যমিক শিক্ষার স্তর পার করতে পারেনি তাদের যদি সাহায্য করা যায় তাহলে দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশাল সুবিধা পাবে। যেটা বাংলাদেশ করে দেখিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে শিশু দারিদ্র্য ঠেকাতে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নেওয়া পদক্ষেপ এটা সম্ভব করতে পারে। বাংলাদেশ আমাদের দেখিয়ে দেয়, প্রান্তিক শিশুর ওপর বিনিয়োগ কোনো করুণা নয় বরং এটি একটি জাতির উড্ডয়নের সহায়ক।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102