June 14, 2024, 9:54 pm
শিরোনামঃ
পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ ইব্রাহিম খান তুষার অনেক বড় বড় জায়গা থেকে তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে তদবির করা হচ্ছে: এমপি আনারের মেয়ে সাইদুল করিম মিন্টুর মোবাইলে মেসেজ ‘আনার শেষ, মনোনয়ন কনফার্ম’! লোহার খাঁচার ভেতরে থাকাটা অপমানজনক, হয়রানি করা হচ্ছে: ড. ইউনূস রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে রুশ সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত ২ ভারতীয় নিহত ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেনঃ এনাম-ই-খোদা জুলু ১১ জুন শুধু জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস নয়, গণতন্ত্রেরও মুক্তি দিবস : সাজেদুল ইসলাম নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মনির মিয়াকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সাইদুল ইসলাম বাদল বিরল আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব আশেকে রসূল ‘আল্লামা শায়খ মানযূর আহমাদ (রাঃ)- প্রফেসর ডা. মুহাম্মাদ আমীরুল ইসলাম আল আহমাদী উয়েসী (পি.এইচ. ডি) ‘পুলিশ সদস্য কেন আরেক পুলিশ সদস্যকে গুলি করেছে জানতে তদন্ত হচ্ছে’

কাঁচা আম খাওয়ার উপকারিতা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Thursday, May 2, 2024
  • 61 Time View

মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে অনেকেই কাঁচা আমের শরবত পান করেন। অনেকে আবার কাঁচা আমে লবণ মাখিয়ে খেতে পছন্দ করেন। শুধু তা-ই নয়, বিভিন্ন তরকারি, ডাল কিংবা চাটনিতে মিশিয়ে খাওয়া হয় কাঁচা আম। কিন্তু কাঁচা আম শুধু স্বাদেই ভালো নয়, স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও অবদান রাখে।

পাকা আমে যত ভিটামিন আছে, তার চেয়ে কিছুতে কম নেই কাঁচা আমে। ভিটামিন সি, কে, এ, বি৬ এবং ফোলেটসহ প্রচুর পুষ্টি রয়েছে কাঁচা আমে। তাই সবার কাঁচা আমের গুণাগুণ ও উপকার সম্পর্কে ধারণা রাখা উচিত।

অন্য তাজা ফলের তুলনায় চিনির পরিমাণ কম থাকে কাঁচা আমে। এক কথায় বলতে গেলে কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকে না। ফলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস রোগীরা অনায়াসেই খেতে পারেন কাঁচা আম।

ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কাঁচা আম হার্ট সুস্থ রাখে। এই দুটি উপাদান রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখার পাশাপাশি হার্টও সুস্থ রাখে। কাঁচা আমে থাকা ভিটামিন ও খনিজগুলো রক্তনালি রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে, যার ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এছাড়া আমে ম্যাঙ্গিফেরিন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা আমাদের হার্টের জন্য খুবই উপকারী। ইমিউনিটি বাড়ায়। ভিটামিন সি, ভিটামিন-ই এবং একাধিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে কাঁচা আমে। এসব উপাদান শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়ায়, পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।

হজমে সাহায্য করে অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজমের সমস্যা কমাতে বেশ উপযোগী কাঁচা আম। কাঁচা আমের মধ্যে রয়েছে অ্যামাইলেস নামক পাচক এনজাইম। ফলে খাবার খুব ভালোভাবে হজম হয়। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে শরীর সুস্থ রাখতে ডিটক্সিফিকেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাঁচা আমের মধ্যে থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শরীরের ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

শুধু তা-ই নয়, কাঁচা আম খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ এবং লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করতে অবদান রাখে। কাঁচা আমে খুব কম ক্যালরি থাকায় ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে ফ্যাট, কোলেস্টেরল ও চিনিও কম থাকে। সুতরাং যারা ওজন কমাতে চান তারা ডায়েটে রাখতেই পারেন কাঁচা আম।

কাঁচা আমে ভিটামিন ‘এ’ থাকায় চোখও ভালো রাখে। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া লুটেইন ও জিয়াজ্যান্থিন থাকে কাঁচা আমে। চোখের রেটিনা ভালো রাখতে এই দুটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট খুবই উপযোগী।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102