সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১২:০৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মন খুলে দে,ও তুই হেলা করিস না, গোপালগঞ্জে যাবরে ভাই মোটরসাইকেল নিয়া ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে মান্নান হোসেন শাহীন সভাপতি, শেখ মোঃ জহিরুল ইসলাম অপু সাধারণ সম্পাদক ৩২ নং ওয়ার্ডে মোঃ বেলাল আহমেদ সভাপতি, মোঃ আবুল বাশার সাধারণ সম্পাদক ৩১ নং ওয়ার্ডে শহীদ আলী সভাপতি, সাজেদুল হক খান রনি সাধারণ সম্পাদক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শিগগিরই আর একটি গণঅভ্যুত্থান হবে: আমান উল্লাহ আমান শৈলকূপ উপজেলার ১১ নং আবাইপুর ইউনিয়নের ঢাকায় অবস্থানকারী দের নিয়ে গঠিত হলো লিজেন্ড এগারো নামে একটি ক্লাব বধ্যভূমি, একটি বটগাছ ও একজন রবিউল প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কোন পথে কোরবানির আয়োজনে ? বৃষ্টির দিনেও রান্না করা খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে রাজধানী মোহান্মদপুর ক্লাব সাধারণ সম্পাদক পদে সকলের পছন্দ হাফেজ মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসেন

এ জীবন তোমার আমার, জাতির জন্য। জনকের রক্ত শেখ হাসিনার জন্য জীবন রহ্মায় হানিফ হলেন ভক্ত

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭৩ দেখা হয়েছে

জনাব রবিউল আলমঃ আজ পয়াত মেয়র হানিফের চতুর্দশ মৃত্যু বার্ষিকী, এই পৃথিবীর সকল প্রানির মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে। কিন্তু নিজের জীবন দিয়ে দেশ ও জাতির জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিয়ে গেলেন সাবেক ঢাকার মেয়র হানিফ। হায়াৎ এর মালিক আল্লাহ। আঃলীগ আমরা অনেকেই করি, মেয়র হানিফ এর দুঃসাহসিক আত্নদানের নজির আর কেহ স্থাপন করতে পারবেন না। দলের জন্য, জাতির পিতার জন্য, জাতির পিতার পরিবারের জন্য, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন রহ্মা ইতিহাস অম্লান হয়ে থাকবেন মেয়র হানিফের। সেদিন স্বেচ্ছায় আত্নদানের মাধ্যমে নেত্রীকে রহ্মা না করতে পারলে বাংলার ইতিহাস অন্য ভাবে লেখতে হতো। সোনার বাংলার স্বপ্ন, স্বপ্ন হয়েই থাকতো। মেট্রোরেল, পদ্মাসেতু, মাদার বাড়ী গভির সমুদ্র বন্দর, মিরসরাইয়ের অর্থনৈতিক অঞ্চল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতো কল্পনা। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা বাংলা মাটিতে আগমনের পর থেকে আঃলীগের রাজনীতির পুর্ণজাগরন শুরু হয়। ৮৩ সালে বাকশাল নামে আব্দুর রাজ্জাক আঃলীগ থেকে বের হয়ে গেলে, হানিফের রাজনীতি স্থগীত হয়ে যায়। অনেক নেতার অনুরোধ প্রত্যাহ্মান করার সময় বলেন আমি রাজ্জাক ভাই এর সাথে আত্নার সম্পর্ক, জাতির জনকের রক্তের সাথে বেঈমানি করে রাজনীতি করতে পারবোনা। ৯১ সালের নির্বাচনে বাকশাল সহ ১৪ দলের ঐক্যজোট নৌকার পহ্মে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ঢাকা মহানগর আঃলীগের সভাপতির দায়ীত্ব ভার গ্রহন করার পর থেকে আওয়ামী রাজনীতি পরিবর্তন লহ্ম করা যায়। হানিফ-মায়ার কমিটি ছিলো, যেকোনো রাজনৈতিক দলে সর্বশ্রেষ্ট কমিটি। ৯৪ মেয়র নির্বাচনের জয় ছিলো আঃলীগ হ্মমতায় আসার টানিংপয়েন্ট। আলহাজ্ব মকবুল হোসেন, আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খান, কামাল আহম্মেদ মজুমদার, রহমতুল্লাহ সহ কমিশনার প্রার্থীদের ঐক্য ছিলো অটুট। জনতার মঞ্চের মাধ্যমে আমলাদের বিদ্রোহ খালেদা জিয়ার পতন নিশ্চিত করা হয়। মেয়র হানিফ ঢাকাকে নতুন সাজের জন্য কমিউনিটি সেন্টার, ধানমণ্ডি লেক, আজিমপুর কবরস্থান উন্নয়ন ছিলো উল্লেখযোগ্য। হকার, কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী ও দলের নেতা কর্মীদের কাছে প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেন। হানিফের নয় বছর শাসন আমল অত্যন্ত কাছে থেকে দেখার সুভাগ্য হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিআক্রমন প্রতিরোধ কখনো হিংসা দিয়ে করেন নাই। দলের মাঝে মায়া গুরুপের অত্যাচারকেও হাসি মুখে গ্রহন করতে দেখেছি। মগ বাজারের মোকলেস ও আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খান এমপি সহ আড্ডায় প্রশ্ন করা হয়েছিল, গুরু আপনাকে আজানের আগে বক্তব্য দিতে দেন। আপনিতো কিছুই বলেন না। উত্তরে বলেন, আবে আমি না থাকলে বুজবো। আজকে হানিফ বিহিন মায়ার রাজনীতি থেকে উত্তরে প্রয়োজন আছে কি ? হানিফ বিহিন ঢাকার রাজনীতি। হানিফ বিহিন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন। মেয়র হানিফের প্রস্তাব মেট্রোপলিটন গভারম্যান্টের দাবী এখনো উঠে। হানিফ আমাদের কাছে, দলের কাছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্মরনীয় হয়ে আছেন, থাকবেন চিরকাল। ঢাকাবাসী, ঢাকার রাজনীতির প্রতিক হানিফ, মুছতে পারবেনা তার নাম। শত শ্রদ্ধা, বিনম্র শ্রদ্ধা, শ্রদ্ধাঞ্জলী ভাবি মনে।দেখা না পাইলেও, ছবি আকি মনে, মনে। মাংস ব্যবসায়ীদের কাছে এই প্রিয় মানুষ মেয়র হানিফের জন্যে জান্নাত কামনা করি। মাবুদগো কবুল করো, আমিন।

লেখকঃ বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব ও রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগের সভাপতি জনাব রবিউল আলম।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102