বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জন্মদিনে নানা শ্রেণির মানুষের ভালো বাসায় সিক্ত আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ রুস্তুম আলী জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত যুবলীগের নেতা মোঃ আলমগীর হোসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আগুনে পুড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু শীতার্ত মানুষের ঘরে ঘরে কম্বল পৌঁছে দিচ্ছেন ঝাল মুড়ি বিক্রেতা মোহাম্মদ জাবেদ ইসলাম পর্ব ৫৮: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা বাঙ্গালীর মাতৃভাষা আন্দোলন সংস্কৃতি রক্ষা স্বাধীকার স্বাধীনতা ও বর্তমান উন্নয়ন প্রেক্ষাপট সন্ত্রাসী সংগঠন হুজিবি প্রধানসহ গ্রেফতার ৬; বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল, বলছে সিটিটিসি গ্যাসে ভাসছে ভোলা, কঠিন হচ্ছে তোলা কর্ণেল (অব) শওকত আলীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে আবু সাঈদ তালুকদারের বিনম্র শ্রদ্ধা মিলেমিশে এ জীবনঃ কবি মোঃ নাসির উদ্দিন দুলাল

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দণ্ডিত আসামি গ্রেফতার

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৩৮ দেখা হয়েছে

খাস খবর বাংলাদেশঃ একুশে আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডিত আসামি ইকবাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ রোজ সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন র‌্যাব সদস্যরা।

মঙ্গলবার সকালে র‌্যাবের মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো খুদেবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।  গ্রেফতারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে কারওয়ানবাজারের র‌্যাব সদর দপ্তরে বেলা ১১টায ব্রিফিং করা হবে বলে মিডিয়ার সেন্টার থেকে জানানো হয়েছে।

২০০৪ সালের ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় দণ্ডিত ৩৩ আসামি কারাগারে থাকলেও পলাতক ছিলেন ১৬ জন।  ইকবাল গ্রেফতার হওয়ায় এখন পলাতক রইলেন ১৫ জন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে জড়ো হয়েছিলেন সিনিয়র নেতারা। দলটির প্রধান এবং তখনকার বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ছিলেন ওই সমাবেশের প্রধান অতিথি।

আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে রাস্তায় একটি ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। বিকাল ৩টা থেকে দলটির কিছু মধ্যম সারির নেতা বক্তব্য দেয়া শুরু করেন। বিকাল ৪টার দিকে শুরু হয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের বক্তব্য দেয়ার পালা। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা তখনও এসে পৌঁছাননি। দলের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা শেখ হাসিনার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় ছিলেন।

শেখ হাসিনার বক্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দফায়-দফায় বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। সমাবেশে উপস্থিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রথমে বুঝতে পারেননি যে এটি ছিল গ্রেনেড হামলা। অনেকেই ভেবেছিলেন বোমা হামলা। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে আঁচ করেছিলেন।

যখন গ্রেনেড হামলা শুরু হয়, তখন মঞ্চে বসা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা শেখ হাসিনার চারপাশে ঘিরে মানবঢাল তৈরি করেন, যাতে তার গায়ে কোনো আঘাত না লাগে। যেসব নেতা শেখ হাসিনাকে ঘিরে মানবঢাল তৈরি করেছিলেন, তাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফ। তখন হানিফের মাথায় গ্রেনেডের আঘাত লেগেছিল। পরে ২০০৬ সালের শেষের দিকে তিনি মারা যান।

গ্রেনেড হামলায় আহত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমান, যিনি পরে মারা যান। ওই গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত হন। এতে আহত হন আরও অনেকে। এ মামলায় মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, এনএসআইয়ের সাবেক দুই মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিমসহ ১৯ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে আনসার ও ভিডিপির সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন, সাবেক তিন আইজিপি- মো. আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরীসহ ১১ জন সাবেক সরকারি কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে স্থাপিত জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে পৃথক দুটি মামলায় আসামিদের এ সাজা দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102