বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জন্মদিনে নানা শ্রেণির মানুষের ভালো বাসায় সিক্ত আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ রুস্তুম আলী জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত যুবলীগের নেতা মোঃ আলমগীর হোসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আগুনে পুড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু শীতার্ত মানুষের ঘরে ঘরে কম্বল পৌঁছে দিচ্ছেন ঝাল মুড়ি বিক্রেতা মোহাম্মদ জাবেদ ইসলাম পর্ব ৫৮: “যে ইতিহাসটি বলা দরকার” : এডভোকেট খোন্দকার সামসুল হক রেজা বাঙ্গালীর মাতৃভাষা আন্দোলন সংস্কৃতি রক্ষা স্বাধীকার স্বাধীনতা ও বর্তমান উন্নয়ন প্রেক্ষাপট সন্ত্রাসী সংগঠন হুজিবি প্রধানসহ গ্রেফতার ৬; বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল, বলছে সিটিটিসি গ্যাসে ভাসছে ভোলা, কঠিন হচ্ছে তোলা কর্ণেল (অব) শওকত আলীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে আবু সাঈদ তালুকদারের বিনম্র শ্রদ্ধা মিলেমিশে এ জীবনঃ কবি মোঃ নাসির উদ্দিন দুলাল

আমার দেখা রায়ের বাজার বদ্ধভুমির পুর্ণাঙ্গ হলো না বুদ্ধিজীবীদের রক্তে ভেজা বটগাছ সংরক্ষণের অভাবে

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১২১ দেখা হয়েছে

ষষ্ঠ ৬ পর্ব

জনাব রবিউল আলমঃ পুরোদিন নিরুত্তাপ ভাবেই কাটলো। সন্ধ্যায় আবার টুকটাক গুলির আওয়াজ হচ্ছে। মামা ও বাবাকে ফিস ফিস করতে দেখছি।বুঝতে পারিনি পাকিস্তান বাহিনী পালানোর জন্য ক্যাম্পে গুছগাছ করছে। আমি না বুঝলেও বাবা ও মামা ঠিকিই বুঝেছে। যাওয়ার আগে কিছু ভংকর কাণ্ড করতে পারে বলেই প্রকাশ্য আলোচনা করছেন না, আমরা জান্তে পারলে প্রতিশোধের আশায় প্রতিরোধ করতে পারি। তাতে অনেক জীবন হানীর আশংখা আছে। আমার সামনে দিয়ে দারোগার বাড়ীতে থাকা পাকিস্তানি পুলিশরা অস্ত্র ও খাতা বালিশ নিয়ে চলে যাচ্ছে। আমি কিছুটা ভয় পেয়েছি। আমাকে দেখে ওরাও ভয় পেয়েছে মনে হয়। যাওয়ার গতিছিলো দ্রুত, বার বার পেছন ফিরে তাকাছিলো আতংকিতর মত। তখনো বুঝতে পারিনি ওরা পালিয়ে যাচ্ছে। বাঙালির বিজয়ের বার্তা শুধু সময়ের অপেহ্মায়। স্বাধীনতা, স্বাধীন মানচিত্র, মুক্তির বানী নিয়ে আসবে জাতির শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা। মাত্র এক কিলুমিটার দুরত্ব রায়ের বাজার থেকে বছিলায়, আটিতে অবস্থান করছে। আমরা বুঝতে পারলে, অনেক কিছুই হতে পারতো। রাতের নিরবতা আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে, অনেক রাত অবদী ঘুমুতে পারছিলামনা, আগে মানুষের আত্ম চিক্কার ও গুলির আওয়াজে। আজকের ঘুম না আসার কারন অতি নিরবতার জন্য। মানুষটা ছোট, এত ভাবনা কোত্থেকে আসে, যার কোন উত্তর আমার জানাছিলনা। আমার কাছে। হাতের কাছে এমন কেহ ও ছিলোনা, যার সাথে শেয়ার করা যায়। কখন ঘুমিয়ে পরেছি, বুঝতেও পারিনি। ১৬ ডিসেম্বর ঘুম থেকে উঠেই দেখি মানুষের ডল নেমেছে রাস্তায়। জয় বাংলার শ্লোগান ছিল গগনচুম্বী আওয়াজ। লাল সবুজের পতাকা উড়ছে। বাশের লঠি হাতে অনেকেই এদিক ওদিক অযথা দৌড় জাপ করছে। আমি কিছুটা অভাগই হয়েছি বটে। কিছুই মাথায় না আসার কারনে আমার সাথে রাজাকার ক্যাম্পে ঠুট কাটা সফি খালুকে জিগ্যেস করলাম, সফি কাকা কি হয়েছে। সফি সাহেব তখনো আমার খুলু হয় নাই। আমার মাথায় একটা থাপ্পর দিয়ে বললো, দেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। পরিপূর্ণ বঝতে পারলাম না বলেই আর একবার জিগ্যেস করলাম, রাজাকাররা কই, সেনাবাহিনীর গাড়ী দেখছিনা, আবার আইলেতো আমাগো দইরা লইয়া যাইবো। সফি কাকা, আরে হালারপুত, সেই হালারাতো ভাইগাই গেছে।এখন থেকে যেখানে ইচ্ছা যাইতে পারবী আর ভয়ের কিছু নাই। আমি এক দৌড়ে রায়ের বাজার বদ্ধভুমিতে। লাশের সাড়ী, কুকুরের ও শকুনের মেলা, একজন মানষও নাই। ভয়ে আবার এক দৌড়ে বাড়ীতে। চলবে, সত্তম ৭ পর্ব নিয়ে আসছি।
লেখকঃ বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব ও রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগের সভাপতি জনাব রবিউল আলম।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102