সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১২:২১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মন খুলে দে,ও তুই হেলা করিস না, গোপালগঞ্জে যাবরে ভাই মোটরসাইকেল নিয়া ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে মান্নান হোসেন শাহীন সভাপতি, শেখ মোঃ জহিরুল ইসলাম অপু সাধারণ সম্পাদক ৩২ নং ওয়ার্ডে মোঃ বেলাল আহমেদ সভাপতি, মোঃ আবুল বাশার সাধারণ সম্পাদক ৩১ নং ওয়ার্ডে শহীদ আলী সভাপতি, সাজেদুল হক খান রনি সাধারণ সম্পাদক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শিগগিরই আর একটি গণঅভ্যুত্থান হবে: আমান উল্লাহ আমান শৈলকূপ উপজেলার ১১ নং আবাইপুর ইউনিয়নের ঢাকায় অবস্থানকারী দের নিয়ে গঠিত হলো লিজেন্ড এগারো নামে একটি ক্লাব বধ্যভূমি, একটি বটগাছ ও একজন রবিউল প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কোন পথে কোরবানির আয়োজনে ? বৃষ্টির দিনেও রান্না করা খাবার নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে রাজধানী মোহান্মদপুর ক্লাব সাধারণ সম্পাদক পদে সকলের পছন্দ হাফেজ মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসেন

আমাদের গনতন্ত্রের প্রতিক শহিদ নুর হোসেন। নুর হোসেন দিবস কি যথাযোগ্য মর্জাদা পাচ্ছে?

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৯২ দেখা হয়েছে

জনাব রবিউল আলমঃ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সর্ব দলিয় গনতন্ত্রের প্রতিক হয়েছিলেন আমাদের নুর হোসেন। আমার ছোট ভাই এর নাম অনুসারে নাম হওয়াতে, মজিব আদর্শের সৈনিক হওয়াতে নুর হোসেনের প্রতি সহানুভূতির একটু বেশিই বলতে পারেন। ভোগের রাজনীতির বিচরন ভুমিতে ত্যাগীদের সংখ্যা নেহায়েতই কম।দেশ জাতি ও নেতৃত্বকে বাচিয়ে ও টিকিয়ে রাখতে জীবনদান বাঙালির মাঝেই পরিলক্ষিত হয়। বৃটিশ বিরোধী, পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম।

১৫ আগস্ট, এরশাদ বিরোধী গনতন্ত্র পুনঃ উদ্ধার আন্দোলন ও ২১ আগস্ট নেতৃত্ব বাচানোর জন্য যারা অকাতরে জীবনদান করেছেন, তাদের মাঝে বাঙালি ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের সংখ্যাই অধিক। বিশ্লেষন করার প্রয়োজন নাই, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদীদের জীবনদানের ইতিহাস নাই।

জিয়ার লাশ ফেলে পলায়নের ইতিহাস আছে।খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর ইতিহাস, দলের নেতা কর্মী ও জনগণকে পরিত্যাগে করে বিদেশে পলায়নের ইতিহাস আছে। দলের জন্য জীবন দাতাদের স্মরণ করার ইতিহাস নাই। নুর হোসেনের আত্নত্যাগে হ্মমতার মসনদকে ভোগের সাম্রাজ্য বানিয়েছেন বিএনপি-জামাত। নুর হোসেনকে মনে রাখার প্রয়োজন মনে করেন নাই। অনেক বাম, রাম, যদু কদুর রাজনৈতিক দল গনতন্ত্রের কথা বলেন, গনতন্ত্রের প্রতিক নুর হোসেনকে চেনেন না।

নুর হোসেনের ইতিহাস সম্পর্কে জানেন না,পড়েন না, মানেনও না। গনতন্ত্র গনতন্ত্র, বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলেন। গনতন্ত্র খায়, না মাথায়দেয় ? তাও জানেন কি না আমার বোধগম্য নয়। প্রতিদিন মুক্ত মনে একাধিক মিডিয়ায় সরকারের চৌদগুস্টির শ্রাদ্ধ উদ্ধার করছেন গনতন্ত্র ছাড়া ? নুর হোসেনের আত্মত্যাগ ছাড়া ? সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সেনাতন্ত্র, মনমানশিকতাতন্ত্রের রাজনীতি শেখ হাসিনা করতে চাইলে আপনাদের অবস্থান কোথায় হতে পারতো ? যা আপনারা ১৫ আগস্টের পরে জাতিকে উপহার দিয়েছেন।

গনতন্ত্রের প্রতিক নুর হোসেনকে উপহার দিচ্ছেন ? এত নিরবে নুর হোসেন দিবস, গনতন্ত্রের পুজারীরা জবাব দিতে পারবেন। নুর হোসেন দিবস কি একমাত্র আঃলীগেরই দায় ? যদি তাই হয়, তবে বলতে হবে গনতন্ত্রের মালিক একমাত্র আঃলীগ। বাম, রাম, যদু, মধু রাজনৈতিক দলের মুখে গনতন্ত্রের কথা মানায় কি ? নুর হোসেন দিবশের প্রতি অনিহাই প্রমান করে গনতন্ত্রের জন্য নয়, হ্মমতাই আপনাদের মুল উর্দেশ্য জাতিকে নতুন করে বুঝাতে হবে না।

লেখকঃ বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব ও রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগের সভাপতি জনাব রবিউল আলম।

শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর...

Dairy and pen distribution

themesba-lates1749691102