March 3, 2024, 9:59 am
শিরোনামঃ
রোজার আগে খেজুর নিয়ে সুখবর দিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু রাজবাড়ী পাংশা কসমেটিকসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ মনিরের না‌মে মিথ‌্যা অপ-প্রচা‌রের প্রতিবা‌দে সংবাদ স‌ম্মেলন রাজবাড়ী কালুখালীতে জাতীয় ভোটার দিবস পালিত নিরাপদ সড়ক, নিরাপদ শহর চাই, নিরাপদ রাজনীতি চাই না কেনো ? জন্মদিনে ভালোবাসায় সিক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর নস্কর রাজধানী বেইলি রোডে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে আগুন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ পবিত্র রমজানে সরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা একটি গোষ্ঠী নারী সমাজকে বিপথে নিতে চায় : জাহাঙ্গীর কবির নানক রাজবাড়ীতে প্রতিবেশির রোশানলে প্রবেশপথে ২ ধাপ বেড়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ আজ বিকেলে

আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Thursday, May 19, 2022
  • 186 Time View

খাস খবর বাংলাদেশ ডেস্কঃ বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট, গীতিকার ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ ১৯ মে ২০২২ রোজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বার্তায় এ শোক জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন ও প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আশরাফ সিদ্দিকী বিটু এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্বদেশ রায়।

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া গ্রামের চৌধুরী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা হাজি ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা মোসাম্মৎ জহুরা খাতুন। তিন ভাই, পাঁচ বোনের মধ্যে বড় ভাই হোসেন রেজা চৌধুরী ও ছোট ভাই আলী রেজা চৌধুরী। বোনেরা হলেন- মানিক বিবি, লাইলী খাতুন, সালেহা খাতুন, ফজিলা বেগম ও মাসুমা বেগম।

১৯৫০ সালে আবদুল গাফফার চৌধুরী পরিপূর্ণভাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে আবদুল গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে কলকাতা পৌঁছান আবদুল গাফফার চৌধুরী। সেখানে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয়বাংলায় লেখালেখি করেন তিনি। এ সময় তিনি কলকাতায় দৈনিক আনন্দবাজার ও যুগান্তর পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক জনপদ বের করেন।

এরপর ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলজিয়ার্সে ৭২ জাতি জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যান আবদুল গাফফার চৌধুরী। দেশে ফেরার পর তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কলকাতা নিয়ে যান। সেখানে সুস্থ না হওয়ায় তাকে নিয়ে ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে যান তিনি। এরপরই তার প্রবাসজীবনের ইতিহাস শুরু হয়।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ছোটদের উপন্যাসও লিখেছেন তিনি। ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘সম্রাটের ছবি’, ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’, ‘বাঙালি না বাংলাদেশি’সহ তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা প্রায় ৩০। এ ছাড়া তিনি কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ নাটক লিখেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘একজন তাহমিনা’ ‘রক্তাক্ত আগস্ট’ ও ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ’।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এ ছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102