April 23, 2024, 5:14 am
শিরোনামঃ
জনমত পারমাণবিক বোমাকে পরাজিত করে,নির্বাচন সত্যকে উপজেলা নির্বাচন থেকে আওয়ামীলীগের নতুন নেতৃত্ব উঠে আসবে গরু ও মাংস আমদানীর বিতর্কে অংশ নিতে চাইছিলাম না। ধর্ম নিরপেক্ষ ভারত কে বাঁচাতে,বিজেপি বিরোধী ঐক্য চাই তাপমাত্রা কমাতে যেসব পরামর্শ দিলেন চিফ হিট অফিসার বুশরা কৃষক লীগ নেতাদের গণভবনের শাকসবজি উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনে ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি নিজেরাই মহাবিপদে আছে: ওবায়দুল কাদের শুধু প্রশাসন দিয়ে মাদক ও কিশোর গাং প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হলে ? গুচ্ছভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

আগেই বলেছিলাম মৌলিক গণতন্ত্রের কথাঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ তালুকদার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Thursday, August 31, 2023
  • 91 Time View

১৯৬৪ সনের ডিসেম্বর মাস। ২রা জানুয়ারী ১৯৬৫ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। প্রার্থী ২ জন আইয়ুব খান আর মোহতারেমা ফাতেমা জিন্নাহ। বঙ্গবন্ধু এক জনসভায় বলেছেন জনৈক প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী তল্পিতল্পা ঘুটাইতেছেন। পরের দিন সোনার বাংলা পত্রিকায় লাল অক্ষরে বড় করে হেড লাইনে এই খবরটি ছাপা হইল। প্রেসিডেন্টে আইয়ুব খানের নির্বাচনের দিন সরকারি সফরে তুরস্কে থাকার কথা ছিল। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট এই সফর বাতিল করেন ।

২রা জানুয়ারী ১৯৬৫ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আশা করেছিল। মৌলিক গণতন্ত্রের নির্বাচনে বিডি মেম্বার গণ মোহতারেমা ফাতেমা জিন্নাহকে জিতাবেন কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল পূর্বে পাকিস্তানের ভোটে জিতলেও পশ্চিম পাকিস্তানে আইয়ুব খান বেশি ভোট পাওয়ায় আইয়ুব খানই জিতে গেলেন।

এই ফলাফলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ দারুণ ভাবে মর্মাহত হলেন । আমার মনে হলো ঢাকা শহরে শোকের ছায়া নেমে এলো। সারা শহর যেন নীরব নিস্তব্ধ।

আমি লক্ষ্য করলাম প্রতিদিন বঙ্গবন্ধু তাজউদ্দীন সাহেবের বাসা থেকে  উনাকে  সাথে নিয়ে কোথায় যায়। তিনি এত পানচুয়াল ছিলেন  যে উনার গাড়ি আসার সাথে সাথে  গাড়ীতে যেয়ে বসতেন। গাড়ী আসবে এটা উনার জানা ছিল। তাই গাড়ী আসার পূর্বেই তিনি রেডি হয়ে বারান্দায় হাতাকাটা বেতের চেয়ারে বসে দৈনিক পত্রিকা গুলি পড়তেন। পাশের রুমেই আমার  পড়ার টেবিল কোনোদিন বলতে শুনিনি একটু দাড়ান আমি আসছি। এত পানচুয়াল জীবনে আমি আর কাউকে তাজউদ্দীনের মতো দেখিনি।

৬ই সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ পাক ভারত যুদ্ধ লেগে গেল। যুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সকল বিরোধী দল পাকিস্তানের যুদ্ধকে সমর্থন দিল। ভারতের বিপক্ষে আমরা জগন্নাথ কলেজের সকল ছাত্ররা দল বেঁধে আজিমপুর আর্মি রিক্রুটিং অফিসে নাম লিখাতে গিয়েছি ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য।

শিয়াল কোর্ট সেক্টরে বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা রাতের আঁধারে বুকে মাইন বেধে ভারতীয় ট্যাংকের নীচে শুয়ে জীবন দিয়ে ভারতীয় ট্যাংকে রুখে দিয়েছে। ১৭ই সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের মধ্যে সিমলা চুক্তি ও পরে তাসখণ্ড চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন এই যুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তান একেবারেই অসহায় ছিল। ছিলনা যুদ্ধ বিমান, ছিলনা ট্যাংক পদাতিক সৈন্য সহ যুদ্ধ করার মত কোনো ভারী অস্ত্র ছিল না।

একটা কথা তখন বাতাসে উড়ে বেড়াত, পূর্ব পাকিস্তানের নেতাদের ভারত প্রস্তাব দিয়েছিল মোনায়েম খানকে বন্দি করে দিবে, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার জন্য। পূর্ব পাকিস্তানের নেতারা বলেছেন জনগণ এই মুহূর্তে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত নয়, এই কথার সত্যতার কোনো প্রমাণ আমার কাছে নেই। ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন।

লেখকঃ বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের ভাগ্নে, আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সিমিন হোসেন রিমির ফুফাতো ভাই, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি), পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর শশুর, জেলহত্যা মামলার অন্যতম স্বাক্ষী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদ্য সমাপ্ত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ তালুকদার।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102