July 17, 2024, 8:25 pm
শিরোনামঃ
অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুফুর বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে সিয়াম নামে এক যুবকের মৃত্যু গায়েবানা জানাজার পরই পল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি-সমমনা দলের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক দল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোটা আন্দোলনকে ব্যবহার করছে: ডিবিপ্রধান হারুন-অর-রশিদ ছারছীনা দরবার শরীফের পীর সাহেবের ইন্তেকাল পবিত্র আশুরা সমগ্র মুসলিম উম্মা’র জন্য এক তাৎপর্যময় ও শোকের দিনঃ: মোঃ সাদেক খান রাজবাড়ীর পাংশায় সাংবাদকর্মীদের সঙ্গে মত বিনিময় সভা করলেন নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে গণতন্ত্রকেই বন্দী করা হয়েছিলঃ মোঃ সাদেক খান কোটা প্রথা বা পদ্ধতি বিশ্বে নতুন নাঃ আঃ রহমান শাহ্

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Wednesday, June 19, 2024
  • 131 Time View
মোঃ ইব্রাহিম হোসেনঃ আগামী ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গৌরবের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (প্লাটিনাম জয়ন্তী) উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর মোহাম্মদপুর থানার ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ জুন) বাদ মাগরিব রাজধানী মোহাম্মদপুর টাউন হল ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন, ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দিল মোহাম্মদ দিলু ও পরিচালনা করেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মাঝি।
এসময় বক্তব্য রাখেন , কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এর কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও বিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও পাঠাগার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নূরুন নবী ভোলা, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মোহাম্মদপুর টাউন হল (কাঁচা বাজার) বণিক সমিতির বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান খান, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এর ভাগ্নে, ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদ্য সমাপ্ত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের সভাপতি পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ তালুকদার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য সমাপ্ত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ ওবায়দুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আঃ রহমান শাহ্, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোস্তফা কামাল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন সহ ওয়ার্ড, ইউনিট আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি মোঃ শাহাজান খান বলেন, ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এই রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে আটক ছিলেন। তাঁকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ করা হলেও পরবর্তী সময়ে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম ‘আওয়ামী লীগ করা হয়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৯৫৫ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়। আর ‘পূর্ব পাকিস্তান’ শব্দ দুইটি বাদ পড়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকে। বাংলাদেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর থেকে প্রবাসী সরকারের সব কাগজপত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নাম ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ সাল থেকে এ দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যতম প্রাচীন এ সংগঠনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এদেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়।
মোঃ শাহাজান খান আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাটি ও মানুষের দল। জনগণই আওয়ামী লীগের মূল শক্তি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই ‘৬২-এর ছাত্র আন্দোলন,’ ‘৬৪-এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ,’ ‘৬৬-এর ছয়দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি মুক্তির সনদ রচনা এবং’৬৯-এর গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরশাসন অবসানের প্রতিশ্রুতি অর্জন দলটিকে মুক্তিকামী মানুষের আশ্রয়স্থলে পরিণত করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বের জন্যই আওয়ামী লীগকে ’৭০-এর নির্বাচনে পূর্ব-বাংলার মানুষ তাদের মুক্তির ম্যান্ডেট দিয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ ভূখন্ডে প্রতিটি প্রাপ্তি ও অর্জন সবই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বাঙালির অর্জন এবং বাংলাদেশের সকল উন্নয়নের মূলেই রয়েছে আওয়ামী লীগ।
মোঃ শাহাজান খান বলেন, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা হলেও দীর্ঘ একুশ বছর লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জয়ী হয়ে ২৩ জুন দলটি ক্ষমতায় ফিরে আসে। পরবর্তীতে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের অপশাসন, দমন পীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগ ‘দিন বদলের সনদ’ ঘোষণা দিয়ে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে পুনরায় বিজয় অর্জন করে এবং সেই থেকে টানা ৪ বার নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচারের রায় কার্যকর করেছে। ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছে এবং রায়ও কার্যকর করা হচ্ছে। সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের অভাবনীয় উন্নয়ন সাধন করে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হয়েছে। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত উন্নয়নের সুফল প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছে।
শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102