May 24, 2024, 11:53 pm
শিরোনামঃ
শৈলকুপার এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা এমন যদি হতোঃ কবি মোঃ খোকন খান ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত ডেইজী সারোয়ার জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফোরামের কমিটি গঠন সাংবাদিককে হেনস্থাকারী ছাত্রলীগ নেতার বিচার চায় বিডিজেএ ঘটনার সময় বাংলাদেশে ছিলাম, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে : আক্তারুজ্জামান শাহীন বাবাকে নিয়ে এমপি আনারের মেয়ে ডরিন আবেগঘন স্ট্যাটাস বাবার হত্যার বিচারে চাইলেন মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন মৎস্যজীবী লীগের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের ‘লাশ’ কলকাতা থেকে উদ্ধার

অনলাইন জুয়া দুইজন গ্রেফতার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : Wednesday, February 23, 2022
  • 180 Time View

মোঃইরফান, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

অনলাইন জুয়া পরিচালনাকারী বাংলাদেশের দুই মাস্টার এজেন্টসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহাপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান
পুলিশের (ডিএমপি-ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

এরআগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর খিলক্ষেত থানা এলাকায় অভিযান করে তাদের গ্রেফতার হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. তরিকুল ইসলাম ওরফে বাবু (২৮), রানা হামিদ (২৬) ও মো. সুমন মিয়া (২৫)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ঢাকা মেট্রো-গ-৩৬-০৩৫১ নম্বর প্লেটের একটি প্রাইভেটকার, নগদ ১১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, ৪ টি বিভিন্ন মডেলের মোবাইল ফোন, ৫ টি সিম কার্ড, বিভিন্ন ব্যাংকের ১৩ টি ব্যাংক একাউন্ট ও ২৩ টি মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট উদ্ধার করা হয়।

হাফিজ আক্তার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা সাইবার এড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম ও অর্গানাইজ ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অনলাইনে জুয়া (বেটিং) পরিচালনাকারী বাংলাদেশের ২ মাস্টার এজেন্টসহ ৩ জনকে রাজধানীর খিলক্ষেত থানা এলাকা হতে
গ্রেফতার করেছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মো. তরিকুল ইসলাম বাবু, রানা হামিদ এবং সুমন মিয়া, পলাতক আসামী সাথী আক্তারসহ অন্যান্য পলাতক ও অজ্ঞাতনামা প্রায় ৫০/৬০ জন আসামীদের সহায়তায় দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের ব্যবহৃত ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস ব্যবহার করে অনলাইনে জুয়া (বেটিং) খেলার সাইট পরিচালনা করছিল। ওই সাইট থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে জমি, গাড়িসহ বিভিন্ন অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছে।

গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীগণ অবৈধ জুয়ার (বেটিং) সাইট পরিচালনা করে মোবাইল ব্যাংকিং/ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের লেনদেন (ই-ট্রানজেকশন) করে। তারা সাইটগুলোর মাস্টার এজেন্ট হিসেবে দেশের বাইরে থাকা সুপার এজেন্টের নিকট থেকে প্রতিটি চইট (ভার্চুয়াল কারেন্সি) ৬০ টাকার বিনিময়ে ক্রয় করে থাকে। পরবর্তীতে সাইটগুলোর ব্যবহারকারীগণের নিকট হতে নগদ অর্থের বিনিময়ে প্রতিটি চইট ১৫০ টাকার বিনিময়ে এবং লোকাল এজেন্টের নিকট প্রতিটি চইট ১০০ টাকার বিনিময়ে বিক্রয় করে থাকে।

গ্রেফতারকৃতরা ৮/১০ লাখ টাকার বিনিময়ে লোকাল এজেন্ট নিয়োগ করে যা চইট কারেন্সিতে উক্ত লোকাল এজেন্টকে দেয়া হয়। ওই লোকাল এজেন্ট তার ব্যবহারকারীগণের নিকট হতে নগদ অর্থের বিনিময়ে প্রতিটি চইট ১৫০ টাকা দিয়ে বিক্রয় করে থাকে। এই কাজে অবৈধ অর্থের আদান-প্রদান মোবাইল ব্যাংকিং/ব্যাংক একাউন্টে মাধ্যমে করা হয়। এখানে কারেন্সি হিসাবে চইট নামক এক প্রকার সাইটের নিজস্ব ভার্চুয়াল কারেন্সি ব্যবহৃত হয়। এভাবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের অর্থ গ্রেফতারকৃত আসামীদের মাধ্যমে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছিল।

তাদের দুটি ফেইক ফেইসবুক একাউন্ট রয়েছে, যার মাধ্যমে ওই এজেন্টরা গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করে থাকে। বেটিং সাইটগুলো গ্রেফতারকৃত আসামীরা ছাড়াও তাদের অজ্ঞাতনামা প্রায় ৫০/৬০ পলাতক আসামীদের পারস্পারির যোগসাজশে পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃতদের প্রকাশ্য কোন আয়ের উৎস নাই। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় জব্দকৃত ব্যাংক একাউন্ট এবং মোবাইল ব্যাংক একাউন্টগুলোতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে মর্মে জানা যায়।

উল্লিখিত সাইটগুলোতে বিভিন্ন ক্রিকেট খেলায় নির্দিষ্ট ওভার বা বলে কত রান হবে অথবা নির্দিষ্ট ম্যাচটি কোন দল জিতবে তার উপর ১:৩ অনুপাতে বেটিং করা হয়। সাধারণ ইউজারের নির্দিষ্ট টার্গেটকৃত রান বা তার নির্দিষ্ট দল জিতলে বেটিং এর চইট পরিমানের তিনগুন বা বেটিং এর শর্ত অনুসারে চইট ফেরত পায়। এভাবেই বেটিং/অনলাইন জুয়া পরিচালিত হয়।

শেয়ার করুন
More News Of This Category

Dairy and pen distribution

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি ডটকম
themesba-lates1749691102